সোমবার, মে ২০, ২০২৪

আকিজ ফুডের আঞ্চলিক বিক্রয় ব্যবস্থাপককে মারধর, থানায় অভিযোগ!

আপডেট:

গাইবান্ধায় আকিজ ফুড এন্ড বেভারেজ লিমিটেডের আঞ্চলিক বিক্রয় ব্যবস্থাপক সাজ্জাদ হোসেনকে (৩০) মারধর করা হয়েছে। একই সাথে কেড়ে নেওয়া হয়েছে ব্যবসার কালেকশনের টাকাও। এঘটনায় গাইবান্ধা সদর থানায় একটি হত্যার চেষ্টা করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (২৮ মে) সাজ্জাদ হোসেন (৩০) নিজেই এই অভিযোগ করেন। এরআগে ২৭ মে শনিবার সকালে শহরের জেলা পরিষদের সামনে এই ঘটনা ঘটে। সাজ্জাত হসেন জামালপুর সদর থানার রানাগাছ গ্রামের বজলুর রমানের ছেলে। তিনি আকিজ ফুড এন্ড বেভারেজ লিমিটেডের রংপুরের আঞ্চলিক বিক্রয় ব্যবস্থাপক।

বিজ্ঞাপন

অভিযুক্তরা হলেন, গাইবান্ধার জেলা পরিষদ সংলগ্ন মাসুম চৌধুরী (৪৫), মেহেদী চৌধুরী (৩৭) ও বারেক চৌধুরী (৩৯)। সকলের পিতা মৃত বেলাল হোসেন চৌধুরী। এছাড়া অজ্ঞাতনামা হিসেবেও ২/৩ জন এজাহার উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গাইবান্ধা শহরের জেলা পরিষদ ডাকবাংলা মোড়ে আসামীদের মাসুম কনফেকশনারী নামক দোকান রয়েছে। কোম্পানীর ডিএসআর (ডেলিভারী সেলস রিপ্রেস্টেটিভ) মোঃ সাবিরুল ইসলাম গাইবান্ধা ডিলার পয়েন্ট হইতে কোম্পানীর মালামাল নিয়ে গাইবান্ধা শহরের বিভিন্ন মার্কেটে ডেলিভারী করে। ডেলিভারির সময় কয়েকদিনআগে ডেলিভারী সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ডিএসআর সাবিরুল ইসলাম এর সাথে আসামী মাসুম চৌধুরী এর মনোমালিন্য হয়। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাবিরুল আসামীদের দোকানের সামনে দিয়ে কোম্পানীর মালামাল নিয়ে যাওয়া- আসার সময় তারা বিভিন্ন সময়ে অকারনে অকথ্য, অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি ও হুমকী দেয়।
ওই ঘটনার জেরেই ২৭ মে দুপুরে কোম্পানীর ডিএসআর সাবিরুল আসামী মাসুম চৌধুরীর দোকানের বিপরীত পার্শ্বে বিসমিল্লাহ স্টোরে মালামাল ডেলিভারী দেওয়ার সময় সকল আসামীসহ অজ্ঞাতনামা আসামীরা আকম্সিক অকথ্য, অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজসহ অতর্কিতভাবে গালে, মুখে, মাথায়, চর-থাপ্পর মেরে ছেলাফুলা বেদনাদায়ক জখম করে এবং তার নিকট হতে ডেলিভারী ভ্যানের চাবি কেরে নেয়।

বিজ্ঞাপন

বিষয়টি সাবিরুল মোবাইল ফোনে সাজ্জাতকে জানালে তিনি গাইবান্ধার ডিলার ইসমাইল হোসেনকে জানায় এবং দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এসময় আসামীরা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী হাতে লাঠি, লোহার রড, লোহার শাবল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সাজ্জাতসহ ডিলার ইসমাইল হোসেন এবং ডিএসআর মোঃ সাবিরুল ইসলামদের উদ্দেশ্য আবারো গালিগালাজ করতে থাকে। এতে নিষেধ করায় তারা সাজ্জাত ইসমাইল ও সাবিরুলের উপর হামলা চালিয়ে গুরত্বর আহত করে এবং সাজ্জাতের পকেটে থাকা কালেকশনের ৩৫ হাজার টাকা বাহির করে নেয়। এবং বুকের উপর চরে গলা চেপে ধরে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। পরে তাদের চিৎকারে স্থানীয়দের সহায়তায় তারা প্রাণে বেচে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়

গাইবান্ধার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাসুদুর রহমান বলেন,এসংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে। প্রমাণ মিললে মামলা করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত