লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তাং ঃ ১১.০৯.২০২
বাংলাদেশের কোন উন্নয়ন হয়েছে কিনা বলবো না কারন সে অনেক হাজার কথা! যেদিকে বলবো কেউ বলবেন একচোখা লেখা, কেউ বলবেন দালাল, কেউ বলবেন নির্লজ্জ, তাই উন্নয়ন নিয়ে কথা বলবো না
বাঙলাদেশ সন্মান অর্জন করেছে! হ্যা, গত তিনমাসের আমেরিকার অনেক পর্যায়ের পদাধিকারী বাংলাদেশ ভিজিট করেছেন, চীনের বিদেশ মন্ত্রী বিমানবন্দরে বসে জরুরি আলাপ সেরেছেন, প্রথমবার রাশিয়ার বিদেশ মন্ত্রী বাঙলাদেশে আসলেন, প্রথমবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো বাংলাদেশ সফর করছেন, প্রথম বার কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাঙলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে নিজে সেলফি তুলেছেন, প্রথমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট, ভারতের প্রধানমন্ত্রী, ভারতের প্রেসিডেন্ট ও বাঙলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এক ফ্রেমে আনন্দ ঘন দাড়িয়ে আলোচনায়, প্রথম বার বৃটিশ কোন প্রধান মন্ত্রী বাঙলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীর চেয়ারের কাছে হাটু গেড়ে বসে শ্রদ্ধাবনত চিত্তে কথা বললেন, প্রথম ইউরোপীয় কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী বাঙলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কে বলেছেন, আমাদের বাঙলাদেশে কাছে শেখার আছে!
এই দেশের জাতির পিতা কোন দেশে যেয়ে পা ব্যথা করে দাড়িয়ে রয়েছেন দেশের স্বীকৃতির জন্য, সুদান শ্রীলঙ্কার মত দেশ স্বীকৃতি দেয় নাই। ভারত পাকিস্তানের জন্য আকাশপথ বন্ধ করলে শ্রীলঙ্কা তার আকাশ পথে বাঙলাদেশে অস্ত্র আনার সুযোগ করে দিয়েছিলো
আল্লাহ ছাড় দেন ছেড়ে দেন না! সুদান ও শ্রীলঙ্কা দুই জন ই শেখ হাসিনা লোনের জন্য হাত পেতেছে এবং শেখ হাসিনা কোন বিগত দিনের প্রতিশোধ না নিয়ে লোন দিয়ে বৈদেশিক রিজার্ভ বাচিয়েছেন!
এই বাংলাদেশের সামরিক সরকার জিয়া ১৯৭৮ সালে মিশর সব দেশের রাস্ট্র প্রধান সন্মেলনে যেয়ে অপমানিত হয়ে ফিরে এসেছেন, সব দেশের রাস্ট্র প্রধান কাতারে তাকে equivalent treat করা হয় নাই!
সাংবাদিকরা তখনকার বিশ্ব প্রভাবশালী রাস্ট্র নায়ক আনোয়ার সাদাতকে প্রশ্ন করলে তিনি সাফসাফ জবাব দেন, “A military dictator is not supposed to attained dinner Party with other honourable democratic statemen. His invitation is mistake which served as usual process from our state deptt
প্রিয় পাঠক, সেই বাঙলাদেশের পরিচিতি এবং সন্মান আকাশচুম্বী যদি আপনি মানবতা মনুষ্যত্ব নিয়ে ভাবে
অবশ্য জানাব ফখরুল সাহেব বলেছেন, ” ওয়ায়েদু
কাদের” কে বলো সেলফি গলায় ঝুলিয়ে রাখতে “!



