[avatar /]
প্রারব্ধ!
লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তাং ঃ ২৪.১০.২০২৩
প্রারব্ধ হলো অদৃষ্ট, ভাগ্য, সঞ্চিত কর্মের অংশ, অতীত কর্মের সেই অংশ যা বর্তমানের জন্য দায়ী!
শিবানন্দ সরস্বতী ও উল্লেখ্য বাক্য সমর্থন করেন! “সুফি সত্য সাধক ডক্টর এমদাদুল হকের (আমার গুরু)” মতে
প্রারব্ধর প্রমান নাই, অনুমান! তিনি বলেন, ধর্মের এত ভেদাভেদ কেন কারন ধর্মের প্রমান নাই, অনুমান! সে জন্য বিশ্বে ৪৩০০ ধর্ম, এক মুসলমান ধর্মের শত মতভেদ
শিয়া সুন্নি আহম্মাদী হানাফি সালাফি ওহাবি কাদিয়ানী
ইত্যাদি!
যারা ধর্মে প্রগাঢ় আস্হা (সব ধর্ম বিশ্বাসীদের জন্য) তাদের জন্য আমার মতামত, সৃষ্টি কর্তা কে বিশ্বাস করুন, প্রারব্ধ ও মানব দোয়া/বদদোয়া এই তিনটা বিশ্বাস না করলে ঈমান কাঁচা থাকে! আমি নিজ চোখে অভিশাপের প্রতিফলন দেখেছি অনেক বার!
ডঃ ইমদাদ সাহেব অবশ্য বলেছেন, বিশ্বে অনেক কিছুর প্রমান নাই! মানব দেহে “বিজ্ঞান বলে” ৩৭ ট্রিলিয়ন দেহকোষ আছে, পৃথিবীর বয়স ৪ শো কোটি বছর এসবের প্রমান নাই (জীবন বেদ অফ ডঃ এমদাদ)!
আমি আমার গুরুর সাথে দ্বিমত পোষণ করি —
আজ পর্যন্ত বিজ্ঞান যা বলেছে তা মিথ্যা হয় নাই, বিজ্ঞান অনুমান ভিত্তিক কিছু বলে না। ২১২ সালে বিজ্ঞানী আর্কিমিডিস যে সব সূত্র দিয়েছেন এবং সেই সূত্রে যা আবিষ্কার হয়েছে তা মিথ্যা হয় নাই! পোল্যান্ডের
বিজ্ঞানী “নিকোলাস কোপারনিকাস আবিষ্কার করেন ১৪ শতাব্দীর শেষের দিকে যে ” পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘোরে “! একই কথা বলে অনেক বিজ্ঞানী হত্যা হয়েছেন
কিছু না জানা ভন্ড ধার্মিকদের হাতে, কারো কারো ভন্ড
মৌলবাদী সরকার জীবন দন্ড দিয়েছেন কারন সব ” ধর্ম গ্রন্হে বলা হয়েছে, “সূর্য পৃথিবীর চারিদিকে ঘোরে”! আজ আর মিথ্যা বলে না কেউ কে কার চারিদিকে ঘোরে! এসব নিয়ে ঘাটাঘাটি করলে অনেক ধর্মগ্রন্থ মিথ্যা হয়ে যায় তখন ধর্ম নিয়ে ও টানাটানি লাগে!
ডঃ এমদাদ সাহেব বলেছেন, ” কেউ জন্মায় পদ্মলোচন
কেউ জন্মায় জন্মান্ধ! তা হলে কি “প্রারব্ধ” দোষী? তার থিসিস অনেক, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘোরে, সূর্য ঘোরে নিজ কক্ষ পথে! ইলেকট্রন প্রোটন গ্রহ সব ঘূর্ণয়নের ভিতর অবস্হান। কিছু স্হির না! তিনি আরও বলেছেন, কেউ জন্ম নিলে সারা দেশে উৎসব হয় কেউ জন্ম নিলে মা নর্দমায় ফেলায় পালায়, এটা কি
প্রারব্ধ?
আমি মুসলমান ধর্মানুসারি। ভাগ্য মানি, মানি এবং দেখেছি দোয়া বদ দোয়ার ফল কিন্তু মানতে পারিনা
৭৫ বছর কেন ফিলিস্তিন ইসরায়েলের হাতে মার খাবে,
৩ কোটি কুর্দি মুসলমান কেন দেশ পাবে না! কেন তৃতীয়
বিশ্বযুদ্ধ হবে, কেন আমেরিকা জিতবে (কারন আমেরিকা এবং আমেরিকা পন্হীরা নিষ্ঠুর এত মাত্রায় যুদ্ধের সাথে সাথে অনেক দেশ শেষ করে দেবে যা চীন রাশিয়া ইরান তুরস্ক ভারত আরবীয় দেশগুলোর বিবেক ধর্মে বাধবে! বাইডেন স্যার নিজেকে খোদাই দাবী করবেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মান জাপানের মত জরিমানা করবে —- এটা কি “প্রারব্ধ” নাকি
ফালতু শিক্ষা, এটা দেখো না ওটা শুনো না, বিজ্ঞান পড়ো না —-
ছবিটায় দেখুন এতটুকু মেয়ে সব হারিয়ে ইসরায়েলের বোমায় আগুনের লেলিহানে একা কি করছে এটা ওর ভাগ্যে ছিলো মানতে ইচ্ছে হয় না!



