লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তারিখ ঃ ২৫.০৪.২০২৪
আফ্রিকার দেশগুলো থেকে প্রাচ্যের আধিপত্যবাদ বিতাড়ন শুরু হয়েছে! ফ্রান্স মার্কিন কলোনিয়াল দেশগুলো সোচ্চার হচ্ছে রাশিয়ান শক্তি বলে বলিয়ান হয়ে। ইরান রাশিয়া নাইজার প্রাচ্যর আফ্রিকায় যত পুতুল সরকার আছে তা বিতাড়ন করতে একাত্মতা ঘোষণা করেছে।
ইরান সফরে আসছেন কিং জং উন (Kim Jong Un).
কি কথা হলো গোপনে, বিশ্বের কে-বা তা জানে?
রাইসি হঠাৎ শ্রীলঙ্কা সফরে গেলেন, যুক্তরাস্ট্রের হুশিয়ারি! পাকিস্তানের সাথে ইরানের বানিজ্য চুক্তি, যুক্তরাষ্ট্রের হুশিয়ারি! যুক্তরাষ্ট্রের এই পুলিশি নজরদারি যেমন অনাধিকার চর্চা তেমনি নির্লজ্জ গনতান্ত্রিক অধিকার হরনের রাস্ট্রীয় মাস্তানী বৈ আর কিছু না অথচ এই চরিত্রের মার্কিন, বাংলাদেশ নামক ক্ষুদ্র “ব” দ্বীপ টায় গনতন্ত্র মানবাধিকার নিয়ে কতই না গলদঘর্ম হলো দু’দিন আগে! সত্যি কথা বলতে কি মার্কিন নীতি হচ্ছে “তুমি আমার স্বার্থ দেখলে, I love you!” “আমার স্বার্থের বিরুদ্ধে গেলে I hate you!”
প্রিয় পাঠক, পাকিস্তানের ইমরান খান বুঝেছিলেন, কেউ স্হায়ী শত্রু না এবং বাংলাদেশ ভারত পাকিস্তান তুরস্ক ইরান এশিয়া ভিত্তিক ব্যবসা বানিজ্য করলে এত দ্বিগুণ পরিবহন খরচ পড়ে না। তার এ পদক্ষেপ মার্কিন স্বার্থ বিরোধী তাই সেনা উস্কে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হলো।
ইউরোপের কিছু দেশ বুঝতে পারছিলো এশিয়ার উপর তারা নির্ভরশীল ফলে জার্মানির স্লুজ, হাঙ্গেরির ভিক্টর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বাধ ভেঙে রাশিয়া থেকে গ্যাস নিতে গাস লাইন নির্মাণ করেছিলো ৫২ বিলিয়ন ডলার খরচ করে যা আজীবন শান্তি এনে দিতো। বাইডেন স্যারের সহ্য হয় নাই, এশিয়া ইউরোপ মিলে গেলে মার্কিন বেওয়ারিশ হয়ে যায়, সিআইএ উড়িয়ে দিলো সে গ্যাস পাইপ লাইন। ভিক্টর তো ব্রাসেলসে NATO সভায় বাইডেন স্যারের মুখের উপর বলে দিলেন, “I can’t kill my people’s in minus celcius temperature without receiving gas from Russia and heat up the living room stooping room heater (burner) whatever the embargo imposed on Russia.
খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বড় শহরগুলোতে মার্কিন নাগরিক রা ইসরায়েল বিরোধী বিক্ষোভ করছে।
১৪২ দেশ ইতিমধ্যে ফিলিস্তিন কে স্বাধীন রাস্ট্র ঘোষনার
সমর্থন দিয়েছে, সব শেষ দেশ ” জ্যামাইকা” স্মর্তব্য জাতিসংঘের সদস্য ১৯৩ দেশের ১৪২ দেশ ইসরায়েলের হত্যা বন্ধ চায় যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র কয়েকটা দেশ ছাড়া। ল্যাতিন আমেরিকার অনেক দেশ ফিলিস্তিন স্বাধীনতার পক্ষে। ব্রাজিলের “লুনা দ্যা সিলভা” সবচেয়ে বড় সোচ্চার কন্ঠ! সে তুলনায় মুসলিম নামধারী কয়েকটা দেশ আমেরিকার পাদ লেহী!
ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশকে ভালোবাসেন।
ধর্মের নামে ব্যবসা, ক্ষমতা আরোহন বন্ধ করেন! এমন ব্যক্তি ও ব্যক্তিবর্গ দোজখী নির্দিধায়। তাকওয়া পূর্ণ জীবন ও মোত্তাকি হয়ে মরন নাহলে এপারে ভন্ডামি তে কদর মিললে ও পরপারে জাহান্নাম। হাদিস নয় কুরআনের তর্জমা শোনেন, অনুসরণ করেন, মানব কল্যান ছাড়া সৃষ্টি কর্তাকে পাওয়া যাবে না।



