শুক্রবার, মার্চ ১৩, ২০২৬

আমেরিকা শিগগিরই আগের চেয়ে বৃহত্তর, শক্তিশালী এবং অধিক বেশি ব্যতিক্রমী হবে ডনাল্ড ট্রাম্প–

আপডেট:

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন ডনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্য দিয়ে শুরু হলো তার দ্বিতীয় মেয়াদের প্রেসিডেন্সি। তার আগে ক্যাপিটল রোটুনডা হলে প্রবেশ করে তিনি তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পকে ফ্লাইং কিস উপহার দেন। এরপর উপস্থিত অতিথিদের উদ্দেশে হাত নাড়িয়ে আসন গ্রহণ করেন তিনি। প্রথমেই ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সকে শপথবাক্য পাঠকরানো হয়। এরপরই শপথবাক্য পাঠ করেন ডনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্য দিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এখন। বাংলাদেশের স্থানীয় সময় সোমবার রাত প্রায় ১১টার দিকে তিনি শপথ নেন। এ সময় দুটি বাইবেলের ওপর ভিত্তি করে শপথ নেন ট্রাম্প। এর একটি বাইবেল তাকে দিয়েছিলেন তার মা। অন্যটি লিঙ্কন বাইবেল। এটি আগের কয়েকজনকে শপথ পড়ানোর সময় ব্যবহার করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১৮৬১ সালে আব্রাহাম লিঙ্কন অন্যতম। ট্রাম্প সংবিধানকে সংরক্ষণ, সুরক্ষা ও সুরক্ষিত রাখার শপথ নিয়েছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, বিদায়ী ভাইস প্রেসিডেন্ট কমালা হ্যারিস, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ, ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্পসহ পরিবারের সব সদস্য। শপথ নিয়ে ট্রাম্প প্রথম ভাষে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে স্বর্ণালী যুগের সূচনা হলো এখন। এইদিন থেকে আমাদের দেশ সমৃদ্ধ হবে এবং সম্মানিত হবে। আমি খুব সহজ কাজ করবো- আমেরিকা ফাস্ট হবে পলিসি। এর আগে তিনি বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট সহ উপস্থিতদের প্রতি সম্মান জানান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে পুনঃস্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, আমাদের সার্বভৌমত্বকে পুনরুদ্ধার করা হবে। আমাদের নিরাপত্তা পুনরুদ্ধার করা হবে। ন্যায়বিচারের দাড়িপাল্লা পুনরায় ভারসাম্যপূর্ণ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ে জঘন্য হিংসাত্বক ও অন্যায়ভাবে হাতিয়ার করা ইতি ঘটবে। আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকার হবে এমন একটি জাতি সৃষ্টি করা যারা গর্বিত হবে, সমৃদ্ধ হবে এবং স্বাধীন থাকবে। ট্রাম্প তার বক্তব্যে বলেন, আমেরিকা শিগগিরই আগের চেয়ে বৃহত্তর, শক্তিশালী এবং অধিক বেশি ব্যতিক্রমী হবে, যা আগে হয়নি কখনো। তিনি আরও বলেন, আত্মবিশ্বাস ও আশাবাদ নিয়ে তিনি প্রেসিডেন্সিতে ফিরেছেন। জাতীয় সফলতার একটি রোমাঞ্চকর নতুন যুগের সূচনা। সূর্যালোক সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে। এই সুযোগকে আমেরিকার এমনভাবে ব্যবহারের সুযোগ এসেছে, যা আগে কখনো হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত