একটি সংবদ্ধ দল অনেক থেকে রোমে চুরি ও ডাকাতি করে আসছিলো। বিষয়টি নিয়ে জনমনে আতংকের সৃষ্টি হয়। রোমের আইন শৃঙ্খলা অবনতির যেন না হয় তা রোধে বিশেষ অভিযান শুরু করে। – রোমের পুলিশ ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে যারা শহরে অন্তত ৪৬টি দুর্ধর্ষ ডাকাতি, চুরি এবং অপহরণের ঘটনার সাথে জড়িত। অপরাধী চক্রটি ভিয়া দেই গরদিয়ানি (Via dei Gordiani) ক্যাম্পের যাযাবর সম্প্রদায়ের এবং তারা মূলত বয়স্কদের টার্গেট করত।তদন্তে উঠে এসেছে যে, চক্রের মূল নেতা রেজিনা চেলি (Regina Coeli) কারাগারে বসেই ফোনের মাধ্যমে চুরির ছক কষত ও নির্দেশনা দিত। ডাকাতরা সাধারণত বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে বয়স্কদের ঘুমের মধ্যে বা টিভি দেখার সময় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে জিম্মি করত এবং সর্বস্ব লুটে নিত।পুলিশ জানায়, দলের কেউ গ্রেপ্তার হলে তারা অত্যন্ত দ্রুত নতুন সদস্য বা ‘নতুন রিক্রুট’ নিয়োগ দিয়ে দল পুনর্গঠন করে ফেলত।বাসাবাড়ি ছাড়াও তারা বিভিন্ন গেম পার্লার এবং তামাকের দোকানে (Bar Tabacchi) লুটপাট চালাত এবং অগ্নিসংযোগের মতো অপরাধেও জড়িত ছিল। আদালত থেকে অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রি-ট্রায়াল ডিটেনশন বা বিচারপূর্ব আটকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কারাগারের ভেতর থেকে কয়েদিরা কীভাবে ফোনের মাধ্যমে বাইরে এত বড় অপরাধ চক্র নিয়ন্ত্রণ করে তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। এই ধরনের অপরাধ ধমনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী গোয়েন্দা কার্যক্রের দূর্বলতা রয়েছে বলে আপরাধ বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।
সুত্র : আনসা, ক্যারবিয়ানি(Carabinieri)

