শনিবার, মে ২৫, ২০২৪

আপনি জানেন কি?

আপডেট:

ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজ।

১৮.০৬.২০২৩

বিজ্ঞাপন

 

বাংলাদেশের জুনিয়র টাইগার্সরা এশিয়া কাপে সেমিফাইনালে খেলার অবস্থানে চলে গেছেন! প্রথম ম্যাচ শুরু হয়েছিলো মালয়েশিয়ার সাথে! মালয় মেয়েরা বাংলাদেশের বাঘিনীদের সাথে ১৪৮ রানের প্রতিযোগিতায় মাত্র ৫১ রান করলেই বাঘিনীদের থাবায় থেমে যেতে বাধ্য হয়!

বিজ্ঞাপন

 

তারপর বিধি বাম, দ্বিতীয় খেলা বৃষ্টি বাগড়া শ্রীলঙ্কার সাথে, পয়েন্ট ভাগাভাগি, তৃতীয় ম্যাচ ও মুষলধারে বৃষ্টি! পয়েন্ট ভাগাভাগি সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে! বাংলাদেশের মেয়েরা না খেলে পয়েন্ট ভাগাভাগি না চাইলেও ভাগ্যলিপি এমন ই হচ্ছে।

 

বাংলাদেশের টাইগারদের (পুরুষ) খেলা দেখতে গেলে ছেলে কাঁদে, সহধর্মিণী কাঁদে, আমি আবেগী অশ্রু মুছি, হার্ট এ্যাটাক হয় হয় কিন্ত জুনিয়ার সিনিয়র নারী ক্রিকেট খেলা দেখার সময় ছেলে লাফিয়ে সোফা ছেড় উঠে যায়, তার মায় তথৈবচ! আমি আনন্দে আটখানা হই, ইচ্ছে হয় ওদের নিয়ে কবিতা লিখি!

 

জানি না কবে কোন সরকার এসে বলবে ওড়না ছাড়া আঁটোসাটো পাতলা কাপড়ের ড্রেসে নারী ফুটবল, নারী ক্রিকেট ধর্ম বিরোধী, বায়তুল মুকাররম মসজিদ থেকে একটা মিছিল, কিছু লোক তালি বাজায় বলবেন তাই-না তয় কি? আমার মত কিছু লোক যাদের দৃষ্টিতে এমন শাসন অবৈধ তাদের সংখ্যা নগন্য! আমার মত যারা, তাদের নাস্তিক, কুরআন গীতা বিরোধী বলবে, কিছু লোক আইডি হ্যাক করবে যদিও আমার লেখার মাধ্যম শুধু ফেবু না, টুইটার ব্লগ পত্রিকা সাপ্তাহিক ষান্মাসিক (কিছু পত্রিকা অখ্যাত)!

 

আমি যেমন আমেরিকার সাথে টক্করাটক্করি তে ভীত কারন তাদের সারা বিশ্বের নিষ্ঠুরতা ইতিহাস আমার মগজ ভর্তি তেমনি সো কল্ড ধার্মিকদের নিষ্ঠুরতা আমি জানি! যারা ধর্মনিরপেক্ষতার ব্যাখ্যা দেন “ধর্মহীনতা”, অথচ নবী করীম সঃ মদিনায় যখন মাত্র ১৫% মুসলমান রেখে মক্কা গমন পূর্বে সব ধর্মের মোড়ল ডেকে যে “মদিনা সনদ” করেছিলেন তা ছিলো বিশ্বের ” প্রথম ধর্ম নিরপেক্ষ সংবিধান (That was the 1st SECULAR CONSTITUTION in the world)! আমার বাবা বলেছিলেন, “মুর্খের সাথে তর্কে জড়িও না সে কখনই ঐ সমান বুঝবে না বরং আলোচনা জ্ঞানী লোকের সাথে করিও তুমি ছাত্রের মত কিছু শিখতে পারবে”! আমরা শত চেষ্টা করেও এদেশের লোকদের ধর্মনিরপেক্ষতা বুঝাতে পারি নাই খোদ বঙ্গবন্ধু ভক্তদের মাইনাস ‘এ’ গ্রেড ব্রেইন ওয়ালারা ও hesitation এ ভুগতেন!

 

ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশকে ভালবাসেন। আল্লাহ বলেছেন,” আমার পাহাড় সমান অন্যায় করে হাত তুললে আমি দুনিয়া সমান ক্ষমা নিয়ে তোমার কাছে হাজির হবো কিন্ত আমার বান্দার (মানুষের) সরিষা পরিমান অন্যায় (ক্ষতি) করলে আমি স্বয়ং আল্লাহ সেই সরিষা পরিমান অপরাধ মার্জনা করার অধিকার রাখি না” আল কুরআন! আমরা ধর্মীয় হোল সেল লাইসেন্স নেয়া লোকগুলো মানুষের অন্যায় রোজ জেনেশুনে প্রতিশোধ মূলক করছি কিন্তু মসজিদে ঢুকছি মন্দিরে ঢুকছি, গায়ের গোশ কমাতে উপোস থাকছি (রোজা), মক্কা মদিনা গয়া কাশি যাচ্ছি, মনে করছি সব পাপ ওখানে রেখে এলাম, এ আর এক ভণ্ডামি!

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত