রবিবার, মে ১৯, ২০২৪

করিমগঞ্জ উপজেলাবাসির জন্য ফ্রি এ্যাম্বুলেন্স দিলেন জনি

আপডেট:

এম এ জলিল, করিমগঞ্জ (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে উপজেলাবাসির জন্য ফ্রি এ্যাম্বুলেন্স দিয়েছেন করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী, পাট জাত পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিকারক কিশোরগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সদস্য শফিউল আলম জনি।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (১৩ এপ্রিল) বিকালে করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রিয়াদ শাহেদ রনির কাছে এ্যাম্বুলেন্সের চাবি হস্তান্তর করেন শফিউল আলম জনি।

করিমগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মতিন বাবলুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে
এসময় পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মতিন বাবলুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জাপা মহাসচিব ও বিরোধীদলীয় চীফ হুইফ কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের মাননীয় সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন
করিমগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হাজী মুসলেহ উদ্দিন।

বিজ্ঞাপন

এসময় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রিয়াদ শাহেদ রনি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য আমিরুল ইসলাম খান বাবলু, ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন, সমাজসেবক রফিকুর রহমান রফিক।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, করিমগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র হাজী আব্দুল কাইয়ূম, কিরাটন ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক, সমাজসেবক মোঃ মেবারক হোসেন, ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ শহিদ, ব্যবসায়ী মাজাহারুল ইসলাম মাজু, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ন আহ্বায়ক আরিফর রহমান শাহনূর প্রমূখ।

জাপা মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেন, বিদ্যুতের নামে ৯০ হাজার কোটি টাকা জরিমানা দিয়েছে, কেন দিল, কেন বিদ্যুত নাই এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে এর জাবাব দিতে বাধ্য করেছি এবং আমার প্রশ্নের ব্যাখ্যা দিতে বাধ্য হয়েছেন।

চুন্নু আরও বলেন, সরকারকে জনগনের কাছে জবাবদিহিতা করতে হয় সে কাজটা পার্লামেন্টের মাধ্যমে আমি করছি। হতে পারি আমারা সংখ্যায় কম। বিরোধীদলে সংখ্যায় ৫০ বা ৬০ জন হলে কি হবে, যদি কথা বলতে না পারে! বঙ্গবন্ধুর সময় ২৯২ সাংসদের সংসদেও বাবু সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের মতো একজন সাংসদেই কাপিয়ে রাখতো গোটা সংসদ। তাই বিরোধীদলে সংখ্যাটা বড় নয়, কথা বলাটা বড়। কথা বলতে পারলেই দুই-চার-পাঁচজনেই যথেষ্ট। তাই আমার উপর আস্থা রাখেন, পাঁচটা বছর আওয়ামী লীগকে ঘুমাইতে দেবনা। সরকারকে জনগনের পক্ষে যা-তা বলার সুযোগ দেবনা।

শফিউল আলম জনি বলেন, করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদ আসন্ন নির্বাচনে আমি একজন চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী। আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া উপজেলাবাসির জন্য এ উপহার নির্বাচনকে উপলক্ষ করে নয়। এটা ছিল আমাদের পরিবারের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। উপজেলাবাসির কাছে এ উপহারটি হস্তান্তর করতে পেরে আমার পরিবারের একটি স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আমি নির্বাচনে জয়ী হই অথবা না হই উপজেলাবাসির কল্যাণে আমার পরিবারের অনেক পরিকল্পনা আছে। যা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা অব্যহত থাকবে। আর উপজেলাবাসির জন্য নেওয়া পরিকল্পনা কোনো ভাবেই নির্বাচনের সাথে সম্পর্ক নেই।

আগামীর পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জবাবে জনি বলেন, যেহেতু পাট জাত পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানি কাজের সাথে আমি জড়িত সেহেতু এ উপজেলাকে বেকারমুক্ত করার লক্ষে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট কারখানা গড়ে তোলবো। যেখানে কয়েক হাজার বেকারের কর্মসংস্থান হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত