“মহসিন ভুৃঁঞা
ফেইসবুক
পরিবারে অশান্তির জন্য দ্বায়ী কে?” আল্লাহ ঘোষনা দিয়েছেন মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব হলেন একমাত্র বিবেকের কারণে। বিবেক দিয়েই মানুষ ভালো-মন্দের পার্থক্য করতে পারেন /বিচার করতে পারেন। আল্লাহ তার যেসব প্রিয় মানুষকে শ্রেষ্ট পুরষ্কার জান্নাত দান করবেন, তাদের মধ্যে একজন হবেন ন্যায় পরায়ন বাদশা। আল্লাহ যে মানুষকে যতটুকু ক্ষমতা দিয়েছেন, সে মানুষ তার এ ক্ষমতা পালন করতে কতটুকু ন্যায় বিচার করেছেন, সেটাই মূল উদ্দেশ্য। বাদশাহ বলতে রাষ্ট্রের প্রধান হাতে হবে তা নয়। ছোট পরিসরে ধরুন, আপনি আপনার পরিবারের সদস্যদের উপর [ম-বাবা, ভাই-বোন, স্ত্রী- সন্তান] বিচার করার ক্ষমতা রাখেন, এক্ষেত্রে আপনার পরিবারই হলো আপনার জন্য রাষ্ট্র।আপনার (রাষ্ট্র) পরিবারের সকল সদস্যদের প্রাপ্য অধিকারের বিষয়ে আপনাকে জানতে হবে এবং আপনি ন্যায় বিচারক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলেই আাল্লাহর ঘোষণা অনুযায়ী শ্রেষ্ট পুরষ্কার জান্নাত পাবেন ইনশাআল্লাহ। আামার লেখার মূল উদ্দেশ্য, বর্তমানে বেশির ভাগ পরিবারে অশান্তির মূল কারণ হলো, পরিবারের সদস্যদের [মা -বাবা,ভাই -বোন, স্বামী-স্ত্রী-সন্তান] প্রাপ্য অধিকার না দিয়ে / না জেনে নিজের মনগড়া বিচার করা। এক ধরনের লোককে দেখা যায় শুধু মা-বাবা, ভাই -বোন এদের কথা শুনে এবং অন্ধের মতো বিশ্বাস করে স্ত্রী-সন্তানদের সাথে খুব খারাপ আচরন করে এবং তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে। তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠে তা প্রমানের কোন চেষ্টাও করেনা এবং প্রমান করে বিচার করার প্রয়োজনও মনে করেন না। বিশেষ করে স্ত্রী যে তার পরিবারের একজন সদস্য তা মানতেই নারাজ। আর এক ধরনের লোককে দেখা যায়, তার উল্টো। সে তার স্ত্রী -সন্তানদের কথা অন্ধের মতো বিশ্বাস করে এবং মা-বাবা, ভাই -বোন এদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠে তা প্রমানের কোন চেষ্টাও করেনা এবং প্রমান করে বিচার করার প্রয়োজনও মনে করেন না। এ দুই ধরনের লোকের কারণে পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র সবই ক্ষতিগ্রস্থ। এ লোক নিজে দুনিয়াতে শান্তি পায় না, আর ন্যায় বিচারক না হওয়ার কারনে পরোকালেও আল্লাহর নিকটে জবাবদিহি করতে হব। অভিযোগ কারী এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি উভয়ের কথা শুনে বিচার করা হলো ন্যায় বিচারের মান দন্ড।

