সোমবার, মার্চ ২৩, ২০২৬

অবহেলিত এক শহীদ নাজির আহমেদ ফেনী কৃতি সন্তান

আপডেট:

গতকাল ফেইসবুকে পল্লী কবি জসিমউদদীন একটি লিখা পড়ে নিজেকে নতুন করে আবিস্কার করলাম। আমি সেই কৈশোর পত্রিকা, বই পড়েছি অথচ নিজের আত্মা পরিচয় নিয়ে পড়ার মতো কোন চরিত্র পাইনি। নজির আহমদ আমার আত্মা পরিচয় ও মানবতার এক দিগন্ত উন্মোচিত হলো। আমরা আর কতো অবহেলিত হবো। আমি নজির আহমদ চাই ফেনীর প্রতিটি কোনে।
নজির আহমদ (বা নাজির আহমদ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতির ইতিহাসে প্রথম শহীদ [১, ৬]। ১৯৪৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি (মতান্তরে ১৯৪২), বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার সময় সাম্প্রদায়িক হামলায় গুরুতর আহত হয়ে তিনি শাহাদাত বরণ করেন [১, ৭]। তিনি সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সক্রিয় ছাত্রনেতা ছিলেন এবং তৎকালীন মুসলিম ছাত্রদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় ছিলেন [৬]।
নজির আহমদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
জন্ম: ফেনী জেলার আলিপুর গ্রামে [২]।
শিক্ষাজীবন: ১৯৩৭ সালে ম্যাট্রিক এবং ১৯৩৯ সালে ফেনী কলেজ থেকে আইএ পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন [৪]।
মৃত্যুর প্রেক্ষাপট: ১৯৪৩ সালের জানুয়ারির শেষে হিন্দু ও মুসলমান ছাত্রদের যৌথ অনুষ্ঠানে “বন্দে মাতরম” সঙ্গীত গাওয়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ২ ফেব্রুয়ারি দাঙ্গা শুরু হয় [৩]।
শাহাদাত: তিনি ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে মাগরিবের আজানের সময় মারা যান [৩, ৮]।
স্মৃতি: তার স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি বছর ২ ফেব্রুয়ারি ‘সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী শহীদ নজির আহমদ দিবস’ পালনের দাবি রয়েছে [৯]।
তিনি ছিলেন পাকিস্তান আন্দোলনের একনিষ্ঠ কর্মী এবং আদর্শ অর্জনে ত্যাগের প্রতীক [৬]।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত