সোমবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৪

গ্রেনেড হামলা ২০০৪ সালে

আপডেট:

লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।

তাং ঃ, ২১.০৮.২০২৩

বিজ্ঞাপন

 

আমেরিকার টুইনটাওয়ার হামলার পর বিশ্ব হতবাক হয়ে গেলো ক্ষুদ্র দেশ বাংলাদেশে বিরোধী দলের নেত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় গ্রেনেড হামলায়। এ হামলায় ২৪ জন স্পষ্ট ডেড এবং ৩০০ জন আহত! হামলার পর পুলিশ হামলাকারীদের রক্ষা করতে এলোপাতাড়ি গুলি ও টিয়ারগ্যাস মেরে অন্ধকারাচ্ছন্ন করে ফেলে এবং হামলাকারীরা নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়! মহিলা আওয়ামী সভাপতি আইভি রহমানকে বাঁচাতে সরকারের কাছে হেলিকপ্টার চাইলে তা পাওয়া যায় নাই!

বিজ্ঞাপন

 

সারাবিশ্বে নিন্দার ঝড় ওঠে। আমেরিকা সহ পশ্চিমা বিশ্ব উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে কারন টুইনটাওয়ার হামলার পর এ হামলা তারা ভয়াবহ সন্ত্রাসের কবলে বিশ্ব এমন ভাবতে থাকে। ২৩ শে আগষ্ট জর্জ ডব্লু বুশ বলেন,”গভীর দূঃখ প্রকাশ করছি এবং হামলাকারীরা জনগন ও মানবতার দুশমন মনে করি!” ঢাকা সব রাস্ট্রের রাস্ট্রদূতরা এসে দেখা করেন, প্রতি দেশের থেকে রাস্ট্রীয় সহানুভূতি জানানো হয় চিঠি দিয়ে এবং ফোনে কথা বলে। জাতিসংঘের মহাসচিব কফিআনান ও কমনওয়েলথ সচিব ডন ম্যাকনিন ফোনে সহানুভূতি জানান। ততকালীন জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বসে থাকেন নাই, তিনি ও চিঠি দেন শেখ হাসিনা কে “আসুন মিলেমিশে একসাথে কাজ করি গনতন্ত্র কে সংহত করতে”! অবশ্য পরের লাইন বলেন নাই, ” মিলেমিশে না চললে পরের বার কিন্তু আল্লাহ ও বাঁচাতে পারবে না!”

 

অনেক বড় চাপ বিদেশ থেকে এলে হত্যার সাথে জড়িত মন্ত্রী পিন্টুর ভাই মাওলানা তাজউদ্দীন সহ দলীয় অনেককে দেশ ছাড়ার ব্যবস্হা সরকার করে দেন! একটা তদন্ত ও মামলা সরকার তৈরি করে একজন জজ মিয়াকে আসামী করে। ধুয়া তুলে দেয়, শেখ হাসিনা ভ্যানিটি ব্যাগে করে গ্রেনেড নিয়ে গিয়েছিলেন!

 

ততকালীন সময়ে “প্রথম আলো” আর্টিকেলে উঠে আসে

তারেক জিয়ার নির্দেশ ও সহায়তার নিশ্চয়তায় ” আহসান উল্লাহ কাজলের বাড্ডার বাসায় প্রথম পরিকল্পনা হয় মন্ত্রী পিন্টু, পুলিশ মন্ত্রী বাবর, মুফতি হান্নান, মাওলানা তাহের, মাওলানা তাজউদ্দীন (পিন্টুর

আপন ভাই) শেখ হাসিনা কে হত্যার! এরা টাইম টু টাইম তারেক জিয়ার সাথে দেখা করে পরিকল্পনা কার্যকর করে! পিন্টু তার ধানমন্ডি বাসা থেকে ১৫ টি আর্জেস গ্রেনেড সরবরাহ করে!

 

প্রিয় পাঠক, কিভাবে এদেশের কিছু লোকের মাথায় ঢুকে গেলো বিএনপি একটা ইসলামি দল? মাওলানারা তাদের পিছু নিলেন! খোদ প্রধানমন্ত্রী খালেদার ফালু উপখ্যান, তার ছেলে তারেকের নারী গতর চষা, সেনানিবাসের বাসায় ফ্রিজে মদের দামী ব্রান্ড টিভি চ্যানেলের ক্যামেরা বন্দী হওয়ার পর ও এই ধর্মীয় মোহ কিভাবে আজ ও বিএনপি ধরে রেখেছে? জিয়ার মদ ঘোড় দৌড় চালু করা ৪৫০০ লোককে বিনা বিচারে হত্যা, প্রেসক্লাবে ব্যানার ইসলামি আন্দোলনের, “মুসলমান সাবধান, খালেদা মদ খান”!

এরপর ও বিএনপি ইসলাম এনে দিবে ধারনা মানে কি এদেশে আসলে ইসলাম আছে নাকি পুরাটা ভাঁওতাবাজি!

 

২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত নিরপেক্ষ সরকার ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা মামলা আদালতে তোলেন! ৫২ আসামির ৪৯ জনের শাস্তি হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বাবর, মন্ত্রী পিন্টু সহ

১৯ জন মৃত্যু দন্ড, তারেক হারিজ সহ ১৯ জন যাবজ্জীবন সাজা হয়!

লক্ষ্যনীয় সন্ত্রাস বিরোধী সভায় সন্ত্রাসী আক্রমণ এবং

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী যার কাজ নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা দেয়া তিনি একজন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, জাতির জনকের মেয়ে এবং বিরোধী দলের নেত্রী, তাকে হত্যার পরিকল্পনাকারী!

 

কেউ কেউ প্রশ্ন করেন, আমাদের লেখায় বিএনপি কোনঠাসা থাকে, আমরা নিরপেক্ষ লিখলেই বিএনপির চরিত্র, জন্ম, সেক্স স্ক্যান্ডেল, হত্যা খুনের দলিলে এমনি কোন ঠাসা হয়ে যায় লেখকের কিছু করার থাকে না! ঐসব লোকগুলোর যত শিক্ষিত হউন বিচার-বিবেচনা কবর দেয়া, রক্তে স্বাধীনতা বিরোধিতা তারা নিরপেক্ষ কলমের বিরোধিতা করবেই কারন বিবেক they already been buried!

 

ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশকে ভালবাসেন।

ধর্ম করেন, ধর্ম আপনাকে পাপ পথ থেকে ফিরাবে কিন্তু ধর্ম ব্যবসা, ধর্ম রাজনৈতিক হাতিয়ার করিয়েন নাগো ভাই সাহেব!

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত