চট্টগ্রামভিত্তিক শিল্প গ্রুপ বলা হয় এস আলম গ্রুপকে। আসলে তা নয়, চট্টগ্রামের বাইরে ঢাকা অঞ্চলেও রয়েছে এই গ্রুপের শিল্প প্রতিষ্ঠান। তবে এই শিল্প গ্রুপকে যতবড় করে দেখা হয়, তা কিন্তু আসলে নয়। এর পেছনে কারিগর ছিলেন দেশের কতিপয় প্রভাবশালী রাজনীতিক ও সাংবাদিক। যাদের ম্যানেজ করতেন গ্রুপটির কর্ণধার এস আলম খ্যাত সাইফুল আলম মাসুদ।মূলত চট্টগ্রাম ও ঢাকায় এই গ্রুপের শিল্প কারখানা রয়েছে হাতেগোনা কয়েকটি। গ্রুপটির তথ্যমতে, এই শিল্প-কারখানার সংখ্যা সবেমাত্র ৯টি। আর হাতেগোনা শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো ঘিরে অর্থ হাতানোর জাল পেতেছেন সর্বত্র। বিশেষ করে ব্যাংক ও বিমা খাত থেকে ঋণ হিসেবে হাতিয়েছেন শত থেকে হাজার কোটি টাকা।
ঋণ পেতে নিজের করে নিয়েছেন বেশ কয়েকটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠানও। ব্যাংকগুলো হলো- ন্যাশনাল ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক। দখল করেছেন দেশের স্বনামধন্য ইসলামী ব্যাংকও।
এ কাজে পুরোপুরি ক্ষমতা খাটিয়েছেন ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবার। ছিলেন ড. হাছান মাহমুদ ও সালমান এফ রহমানের মতো কয়েকজন প্রভাবশালী মন্ত্রীও। যারা মোটা অঙ্কের সুবিধা নিয়ে চোখ বন্ধ করে এই সুবিধা দিয়েছেন বলে।কারখানাগুলো ছিল অর্থ হাতানোর হাতিয়ার
ম্যানেজ করত রাজনীতিক-সাংবাদিকও
বাস্তবে না হলেও বড় গ্রুপ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা
‘ঋণ মওকুফ করাতে’ বারবার অগ্নিকাণ্ড
চট্টগ্রামভিত্তিক শিল্প গ্রুপ বলা হয় এস আলম গ্রুপকে। আসলে তা নয়, চট্টগ্রামের বাইরে ঢাকা অঞ্চলেও রয়েছে এই গ্রুপের শিল্প প্রতিষ্ঠান। তবে এই শিল্প গ্রুপকে যতবড় করে দেখা হয়, তা কিন্তু আসলে নয়। এর পেছনে কারিগর ছিলেন দেশের কতিপয় প্রভাবশালী রাজনীতিক ও সাংবাদিক। যাদের ম্যানেজ করতেন গ্রুপটির কর্ণধার এস আলম খ্যাত সাইফুল মূলত চট্টগ্রাম ও ঢাকায় এই গ্রুপের শিল্প কারখানা রয়েছে হাতেগোনা কয়েকটি। গ্রুপটির তথ্যমতে, এই শিল্প-কারখানার সংখ্যা সবেমাত্র ৯টি। আর হাতেগোনা শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো ঘিরে অর্থ হাতানোর জাল পেতেছেন সর্বত্র। বিশেষ করে ব্যাংক ও বিমা খাত থেকে ঋণ হিসেবে হাতিয়েছেন শত থেকে হাজার কোটি টাকা।ঋণ পেতে নিজের করে নিয়েছেন বেশ কয়েকটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠানও। ব্যাংকগুলো হলো- ন্যাশনাল ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক। দখল করেছেন দেশের স্বনামধন্য ইসলামী ব্যাংকও।এ কাজে পুরোপুরি ক্ষমতা খাটিয়েছেন ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবার। ছিলেন ড. হাছান মাহমুদ ও সালমান এফ রহমানের মতো কয়েকজন প্রভাবশালী মন্ত্রীও। যারা মোটা অঙ্কের সুবিধা নিয়ে চোখ বন্ধ করে এই সুবিধা দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।শুধু আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপি নেতাদের সাথেও তলে তলে সখ্য ছিল সাইফুল আলম মাসুদের। যাদের আন্দোলন সংগ্রামে কাড়ি কাড়ি টাকা বিনিয়োগ করেছেন এই গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলম মাসুদ। যাকে ধূর্ত হিসেবে চিনে চট্টগ্রামের সচেতন মহল।সচেতন মহলের ভাষ্য, দেশের দুই প্রভাবশালী দলের নেতাদের সাথে সখ্য থাকার কারণে সাইফুল আলম মাসুদ সহজে পেয়ে যেতেন দেশের ভালো-মন্দ আগাম খবর। সে হিসেবে ৫ আগস্টের বিপদের গন্ধও তার নাকে পৌঁছে যায় অনেক আগেই। সেই থেকে শুরু হয় নিজের আখের গোছানোর নানা পরিকল্পনা।একদিকে নিজের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন ব্যাংক থেকে কারখানা ও নিজের নামে, ছেলেসহ পরিবারের নামে, এমনকি নিজ এলাকা পটিয়া থেকে বিভিন্ন ব্যাংকে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নামেও অবাধে শত থেকে হাজার কোটি টাকা ঋণ নেন সাইফুল আলম মাসুদ
আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপি নেতাদের সাথেও তলে তলে সখ্য ছিল সাইফুল আলম মাসুদের
আপডেট:

