সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলা জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আ ন ম আব্দুর রহিম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।ফেনী আলিয়া কামিল মাদরাসার বহিষ্কৃত অধ্যক্ষ মাওলানা হাসানকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আশ্বাসে চাঁদা দাবির অভিযোগ ওঠায় জেলা জামায়াতে ইসলামির রুকন (সদস্য) ও শ্রমিক ফেডারেশনের সহ-সভাপতি জাকির হোসেনকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।ভাইরাল হওয়া কল রেকর্ডে শোনা যায়, জাকির হোসেনকে মাহমুদুল হাসান কত টাকা দেবেন বলে জিজ্ঞেস করছেন। জবাবে অভিযুক্ত জাকির বলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়েছে এবং সমীর নামে একজনের বিষয় আছে উল্লেখ করেন। এ সময় মাহমুদুল হাসান মামলার খরচ আগে দুই লাখ টাকা দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন এবং আরও লাগবে কিনা জিজ্ঞেস করেন। এ ছাড়া এর আগে ওসির জন্য দেওয়া এক লাখ দিয়েছেন কিনা এ জিজ্ঞেস করেন। উত্তরে জাকির হোসেন বিবেচনা করে টাকা দেওয়ার কথা বলেন এবং মামলা ডিসক্লোজ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জামায়াত নেতা জাকির হোসেন বলেন, একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এসব কিছুর সঙ্গে আমার সংশ্লিষ্টতা নেই। আপনি হয়তো ভুল শুনেছেন। আমি এই ধরনের কিছু কখনো শুনিনি বা জানিও না।এই প্রসঙ্গে জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মুফতি আবদুল হান্নান বলেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ধরনের কার্যকলাপের জন্য তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

