বৃহস্পতিবার, মার্চ ৫, ২০২৬

ফেনী রেল ক্রসিং মৃত্যু হকারদের ব্যবসা

আপডেট:

সারা দেশের রেল ক্রসিং গুলো মৃত্যু ফাঁদ পরিনত হয়েছে। ফেনী রেল ক্রসিং হকারেরা ব্যবসার পরসা বসিয়ে এটিকে আরো ঝুঁকিপূর্ন করে তুলেছে। গত বছর ফেনী রেল ক্রসিং কাটা পড়ে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। দীর্ঘদিন ধরে বলে আসলেও এটি ফ্লাইওভারের নির্মান করার কথা থাকলেও অদৃশ্য কারনে তা হচ্ছেনা। ফেনী গণমানুষের এইদাবী কেন উপেক্ষিত তার উত্তর খুজতে গিয়ে দেখা যায় অবৈধ লেনদেন কারনে গত সরকারের মামলে এটি হয়নি। এর জন্য রেল ক্রসিংএর দুই প্ব্বাশের ব্যাবসাইরা দায়ী। রেললাইন পরিণত হয়েছে মৃত্যুফাঁদে। কখনো অসচেতনতার কারণে আবার কিছু ক্ষেত্রে অরক্ষিত লেভেল ক্রসিংয়ে কাটা পড়ছে মানুষ। গড়ে প্রতি বছর ট্রেনে কাটা পড়ে হাজারের ওপর মানুষের মৃত্যু হয়। বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশের দেওয়া তথ্যে, লাইনে দাঁড়িয়ে কানে এয়ারফোন ব্যবহার, মোবাইলে কথা বলা, ট্রেন লাইনে বসে গল্প করা ও গেম খেলা, অসতর্কভাবে রেলওয়ে ক্রসিং পারাপারের চেষ্টা, ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু এবং আত্মহত্যাসহ কয়েকটি কারণ এসব দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে চিহ্নিত করা হয়েছে।রেলওয়ে পুলিশ ট্রেনে কাটা পড়ে মানুষের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে সম্প্রতি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে ট্রেনের সামনে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য প্রস্তাবও দিয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু শুধু সচেতনতা দিয়ে কমানো যাবে না। সরকারকে আগে রেললাইনের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোকে চিহ্নিত করতে হবে। এরপর এ স্থানে ঝুঁকি কমানোর উদ্যোগ নিতে হবে।রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালে ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যুর ঘটনায় মোট ৯৯৮টি মামলা হয়। মোট লাশ উদ্ধার হয় ১ হাজার ১৭ জনের। এর আগের বছর ট্রেনে কাটা পড়ে ১ হাজার ৬৪ জনের মৃত্যু হয়। কিছু ক্ষেত্রে রেললাইনে দাঁড়িয়ে সেলফি ও ট্রেনের ওপর টিকটক করতে গিয়েও দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়।গত ২৬ এপ্রিল ঢাকার উত্তরা কোটবাড়ি এলাকায় রেললাইনে সেলফি তুলতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে এক দম্পতির মৃত্যু হয়। গত ২ মে রাজধানীতে ট্রেনে কাটা পড়ে রাজশাহী কলেজের ইশতিয়াক আহমেদ রাফিদ নামে শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। রেললাইনে দাঁড়িয়ে এক ট্রেনের ছবি তোলার সময় উল্টো দিক থেকে আসা আরেক ট্রেনে কাটা পড়ে তার মৃত্যু হয়। এর আগে গত বছর ফরিদপুরে টিকটকের ভিডিও করতে গিয়ে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে লাবিব নামে এক তরুণের মৃত্যু হয়।রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মো. গোলাম রউফ খান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, রেললাইনে কেউ কেউ আত্মহত্যা করে থাকেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত