বুধবার, মার্চ ১১, ২০২৬

স্থাপনাসমূহ সংস্কার, মেরামত, ভোটকেন্দ্রে সিসিক্যামেরা স্থাপন, রাস্তা সংস্কার বরাদ্দ নিয়ে অনিশ্চয়তা

আপডেট:

দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নিয়ে আগেভাগে প্রস্তুতি চলে জোরকদমে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রগুলোকে সংস্কারে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরকে (ইইডি) চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এরপরও অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। বরাদ্দ নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। ফলে ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতে উদ্যোগ নেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নিজ খরচ ও উদ্যোগে কেন্দ্র প্রস্তুত করতে পারে।২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে একটি চিঠি জারি করা হয়। চিঠিতে বলা হয়, সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন সূচি ঘোষণা করেছে। নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় এমন প্রতিষ্ঠান/ স্থাপনাসমূহ সংস্কার, মেরামত, ভোটকেন্দ্রে সিসিক্যামেরা স্থাপন, রাস্তা সংস্কার বা মেরামতের প্রয়োজন হলে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সম্মতির প্রয়োজন হবে না বলে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই চিঠি স্থানীয় সরকার সচিব ও ইইডি প্রধান প্রকৌশলীকে দেওয়া হয়।শিক্ষা কর্মকর্তারা জানান, এমন নির্দেশনার পর দপ্তরগুলোতে যোগাযোগ করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। তারা বলছেন, এ বিষয়ে সরকারি কোনো বরাদ্দ নেই। ফলে তারা কোনো অর্থও দিতে পারবেন না। এখন এই সংস্কার কিভাবে সম্ভব তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তারা বলছেন, দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দিনের আলোতে পরিচালিত হয়। অর্থাৎ বেলা থাকতেই শেষ হয় ক্লাস। ফলে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্যানের ব্যবস্থা থাকলেও বৈদুত্যিক বাতির ব্যবস্থা নেই। সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিদুৎ সংযোগ নেই।এছাড়াও প্রিজাইডিং কর্মকর্তাসহ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের আগের রাত থেকেই ওই কেন্দ্রে অবস্থান করতে হয়। সে কারণে পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধার ব্যবস্থারও প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের কোনো সাড়া না পাওয়ায় স্থাপনার দায়িত্বশীলরা বেকায়দায় আছেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, ভোটগ্রহণ করতে এবার বিকেল ৫টা বাজবে। এরপর গণনার বিষয় রয়েছে। সেটি করতেও সময় লাগবে। এজন্য বৈদ্যুতিক সুবিধা ও বাতির কোনে বিকল্প নেই।দেশের প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। নিজস্ব প্রকৌশল বিভাগ না থাকায় এই দপ্তরের ওপর নির্ভরশীল তারা। অন্যদিকে মাধ্যমিক পর্যায়, কলেজ ও মাদ্রাসা পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর।জানতে চাইলে ইইডি প্রধান প্রকৌশলী মো. তারেক আনোয়ার জাহেদী বলেন, এমন বার্তার বিষয়ে আমার এখনো কিছু জানা নেই। বিষয়টি আমি জেনে জানাতে পারবো। বরাদ্দের বিষয়েও তিনি কিছুই জানাতে পারেননি।

সুত্র :দৈনিক জনকণ্ঠ

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত