নানা অপরাধ করে অপরাধীরা আইনের ফাঁকে বের হয়ে আবারও অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। ইতালি অর্থনীতির বড় আয়ের অংশ পর্যটন। ইতালির বড় শহরগুলোতে পকেট মার, ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য বেড়ে চলছে। গত কিছুদিন আগে তুরিনোতে পুলিশ ও সাংবাদিকের উপর হামলা ঘটনার পর সরকার ও বিরোধীদল বুজতে পারে। জননিরাপত্তা দায়িত্ব নিয়োজিত আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও নাগরিকদের রক্ষায় নতুন আইনের প্রয়োজন রয়েছে। – ইতালির মন্ত্রিপরিষদ নাগরিকদের সুরক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নতুন নিরাপত্তা আইন অনুমোদন করেছে। নতুন নিয়মে জননিরাপত্তার স্বার্থে সন্দেহভাজনদের ‘আগাম আটক’ বা প্রিভেন্টিভ ডিটেনশনের (Fermo Preventivo) ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।পর্যটক ও সাধারণ নাগরিকদের ভোগান্তি কমাতে মেট্রো ও জনসমাগমস্থলে পকেটমারদের জন্য শাস্তির বিধান আগের চেয়ে অনেক কঠোর করা হয়েছে।আইনে ‘বৈধ আত্মরক্ষা’ বা লেজিটিমেট ডিফেন্সের ক্ষেত্রে নাগরিক ও পুলিশ সদস্যদের জন্য আইনি সুরক্ষা (Legal Protection) আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে স্বাধীনভাবে ও নিরাপদে কাজ করার সুযোগ করে দিতেই সরকারের এই কৌশলগত পদক্ষেপ। মূলত অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা ফেরাতে এই ডিক্রি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে সরকার।

