রোম, ইতালি: ইউরোপের সীমান্ত রক্ষা এবং অবৈধ গণ-অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকোস ক্রিস্টোডৌলিডিস। সম্প্রতি রোমে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই নেতা ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘নিরাপদ দেশ’ ও ‘তৃতীয় দেশ’ নীতি বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।প্রধানমন্ত্রী মেলোনি জানান যে, অভিবাসীদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে একটি নতুন ইউরোপীয় ‘রিটার্নস রেগুলেশন’ বা প্রত্যাবাসন আইন চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে সাইপ্রাস প্রেসিডেন্সি। ইউরোপের বাহ্যিক সীমান্ত রক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে উভয় নেতা অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কড়া বার্তা দিয়েছেন।অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কৌশল ইউরোপের বাণিজ্যে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধিকে অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। বৈঠকে আলোচিত মূল অর্থনৈতিক দিকগুলো আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস: বাণিজ্য সহজীকরণে প্রশাসনিক বাধা কমানোর সিদ্ধান্ত।জ্বালানি নিরাপত্তা:জোরদার শিল্প ও বাণিজ্যের উৎপাদন খরচ কমাতে জ্বালানি ব্যয় হ্রাসের ওপর গুরুত্বারোপ কৌশলগত করিডোর এগিয়ে নিতে ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ বাণিজ্যিক করিডোর (IMEC) বাস্তবায়নে দুই দেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ।ডিজিটাল সংযোগ: ‘ব্লু-মেড’ (BlueMed) সাবমেরিন ক্যাবল ও বিভিন্ন ডিজিটাল প্রকল্পে যৌথ বিনিয়োগ।ভূমধ্যসাগরকে ইউরোপের ‘কৌশলগত সীমান্ত’ হিসেবে অভিহিত করে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও বাণিজ্যে যৌথভাবে কাজ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আগামী এপ্রিল মাসে সাইপ্রাসে অনুষ্ঠেয় ইইউ সম্মেলনে ভূমধ্যসাগরীয় এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশী দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার একটি কৌশলগত সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। এই বৈঠকের মাধ্যমে মূলত ভূমধ্যসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য সুসংহত করার পাশাপাশি অভিবাসন সংকটের একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং কঠোর সমাধানের পথ প্রশস্ত হলো।

