শনিবার, মার্চ ১৪, ২০২৬

হিজড়া – ২য় পর্ব

আপডেট:

 

লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

তাং ঃ ২৫.০১.২০২৪

 

বিজ্ঞাপন

ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই শিক্ষক “আসিফ মাহাতাব” যিনি হিজরাদের মানুষ ভাবেন না, থার্ড জেন্ডার কে মানবতার সাথে গ্রহন করা শিখানোর গল্প “শরীফ থেকে

শরীফা” তে তিনি সমকামিতার গন্ধ পান।

 

প্রিয় পাঠক, মাহাতাব সাহেবকে জেল ফাঁসি দেয়া হয় নাই শুধু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রাক তার চাকুরী থেকে

সাময়িক বরখাস্ত করেছে। তার প্রতিবাদে তিনি ফেজবুকে একটা প্রতিবাদ স্টেটাস দিয়েছেন ৭ লাইনের। তার ৭ লাইন লেখা বাংলায় ১০ টা বানান ভুল।

অনেকে কমেন্ট করেছে “এমন গোবর ভর্তি ব্রেন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ে কি ভাবে শিক্ষক হলো?

আমার প্রথম আর্টিকেলে বলেছি, এমন সব সো কল্ড শিক্ষিত গরুরা ভন্ড ধার্মিকতার আড়ালে দেশকে পিছু টানছে এবং অশিক্ষিত ধর্মপ্রাণ জনগনকে ভুল বুঝায়ে ধর্মীয় শুঁড় শুঁড়ি দিয়ে রাজনীতি করছে, এমন শিক্ষিত কিছু লোক এবং ভন্ড ধার্মিক কিছু মাওলানা কে তুর্কী বীর কামাল পাশা লাইনে দাড় করায় স্যুট করে মেরেছিলেন। সংখ্যাটা সম্ভবত তিন হাজার ছিলো।

তাই আজ এরদোয়ান এর তুরস্ক সাবমেরিন বানায়, ড্রোন বেঁচে বাংলাদেশ ইউক্রেন সিরিয়ার কাছে, মিশাইল বানায়। S 400 রাশিয়া থেকে কিনে নিজেরা তৈরির চেষ্টা করছে! আপনার দেশ কখনও সামনে সাবে না কারন আপনার আশেপাশে সব সেক্টরে আসিফ মাহাতাবরা আছে আপনার প্রগতিশীল উন্নয়ন উন্নতির হাত টা আটকায় দিতে।

 

প্রিয় পাঠক, একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বাইওলজির জন্মতত্ব জানে না, পরমানু ইলেকট্রনিকস বিজ্ঞান সে কিভাবে জানবে, কিভাবে সে ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরী পেলো আমার ও প্রশ্ন? ধর্ম জানতে কুরআন তর্জমা জানতে হয় শুনতে হয় যে ৭ লাইন বাংলা লিখতে ১০ টা বানান ভুল করে সে বিশ্ববিদ্যালয় কি পড়ায়? ধর্ম কি ধর্ম মানুষকে মানবিক করে সে তেমন শিক্ষা কে সমকামিতা শিখানোর কথা বলে, একই মায়ের পেটে জন্ম নিয়ে শুধু তৃতীয় লিঙ্গ হওয়ার কারনে তাকে ছোট সময় বের করে দেয়া হয়, স্নেহ বঞ্চিত, সম্পত্তি বঞ্চিত হয়। এই সরকার ২০১৩ সালে সব অধিকার সমান করে দিয়েছেন!

 

” দার্শনিক গখলে” বলেছিলেন, “বাঙালি যা আজ ভাবে বিশ্বের সাত হাজার জাতি তা একসপ্তাহ পরে ব্রেনে আনে! ” এই কি সেই জাতি আসিফ মাহাতাব? তার চাকুরী পুনর্বহাল করতে যারা বিক্ষোভ করে খোঁজ নিয়ে দেখেন তাদের পিছে ২০১৩ সালের সেই শাপলা চত্বরের ইন্দন দাতারা আছে। আমার সহধর্মিণীর আপন ভাইজি

ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে ফাস্ট ক্লাস ফাস্ট ফার্মাসিস্ট বিভাগে হওয়ার পর আমেরিকার স্কলারশিপ পেয়ে

P HD করে পরশু বাসায় আসছে!

কি তাদের জানা-শোনা, বর্ণনাতীত —-

আসিফ মাহাতাব রা তাদের পদধূলি সম জ্ঞান নাহি রাখে! এসব কনজার্ভেটিভ রা সব জায়গায় শিক্ষা শিল্প সাহিত্য কাব্য কবিতা ধর্ম মানবতা মনুষ্যত্ব গনতন্ত্রের শত্রু, এদের প্রতি আপনার আমার সরকারের কঠোর হওয়া উচিত !

 

ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশকে ভালোবাসেন।

সন্তানকে শিক্ষিত মানুষ করেন কনজার্ভেটিভ পশু করবেন না দয়া করে!

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের আসিফ মাহাতাবের সেই চিঠি।

একবার পড়ুন হে পাঠক বর জন্ম যদি তব বঙ্গে!

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত