লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তাং ঃ ২৬ শে মার্চ ২০২৪ সাল।
এশিয়া বিশ্বের ৮ টা মহাদেশের ভিতর সবচেয়ে বড় মহাদেশ। সবশেষ আবিষ্কৃত মহাদেশ ড, জিল্যান্ড এখন ও জলে শত ফিট নিচে যার একপ্রান্ত নিউজিল্যান্ড।
এশিয়া ভাগ্যবান মহাদেশ যেখানে প্রধান সব ধর্মের প্রফেট জন্মগ্রহণ করেছেন। ইসলাম, সনাতন, বৌদ্ধ, খৃষ্টান, ইহুদি। এই এশিয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশের অবস্হান “রাশিয়া”৷ দুটো মহাদেশ নিয়ে তার অবস্হান, এশিয়া ও ইউরোপ। খাদ্য চাল গম তেল গ্যাস কাঠ খনিজ অভ্র মাইকা টাংট্যান্ট সব কিছু আছে এই এশিয়ায়! বিশ্বের সবচেয়ে বড় ” সাবমেরিন” এশিয়ার রাশিয়ায় যার নাম টাইফুন। যার ভিতর এত এত অত্যাধুনিক পরমাণু অস্ত্রে সজ্জিত, এক সাবমেরিন যেন একটা WARS বা N A T O জোট যে ১০ বার এ পৃথিবী কে ধ্বংস করতে পারে। ১৩০০ ফিট জলের নিচ দিয়ে চলতে পারে যার ওজন ৪৮ হাজার টন। তার আনাগোনা আমেরিকার চারিদিকে আটলান্টিক প্রশান্ত অঞ্চল। আমেরিকা বিশ্বে ৮০০ সামরিক ঘাটি করে ও এশিয়ার ভয়ে ইউরোপ ২৭ দেশ সাথে নিয়ে চলে তবুও
অশান্তিতে ভোগে রাশিয়ার ভয়ে!
প্রিয় পাঠক, এতক্ষণ যে প্যাচাল পাড়লাম তা অনেলকর জন্য উপকারী হলেও কারো কারো জন্য পড়ার বোঝা।
আমার বিষয় এশিয়ার মানুষের ধর্ম অজ্ঞানতা।
নবী করীম সঃ মৃত্যুর সময় হযরত উমর রাঃ সব সময় পাশে ছিলেন! তিনি উমর রাঃ কে বলেছিলেন, “উমর আমার মৃত্যুর পর অনেক ফেতনা ফ্যাসাদ দেখা দেবে!
উমর রাঃ জিজ্ঞেস করেছিলেন, ইয়া আল্লাহর হাবিব, তার সমাধান কি? নবী করীম সঃ বলেছিলেন কুরআনের দিকে ইঙ্গিত করে, এই কেতাব অর্থাৎ “কুরআন”! নবীর ইন্তেকালের দিন থেকেই ফেতনা শুরু হয়, এমনকি নবীর দাফন কাফনে ও সময় ক্ষেপণ হয়!
প্রিয় পাঠক, হযরত আবুবকর খলিফা নির্বাচিত হন যা এজিদের বাবা মুয়াবিয়া গ্রুপ চান নাই। আমি ওদিকে যাবো না। হযরত আবুবকরের খলিফা নির্বাচনি অভিষেক অনুষ্ঠানে হযরত উমর রাঃ তার বক্তৃতায় বলেছিলেন, ” নবী করীম সঃ এই কেতাব কে অনুসরণ ও সব সমাধান বলে গেছেন। দুর্ভাগ্য হলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশ ভারত পাকিস্তানের মুসলমান রা কুরআন পড়ি না! ২০০ বছর পর রচিত ও ইসলামের শত্রু মুয়াবিয়া ইসলামের মুখোশে যা নবীর কার্যক্রম বলে গেছেন তাকে ফলো করে যে হাদিস আবু দাউদ, তিরযিমি, মুসলিম, বোখারি অনুসরণ করি ! কুরআন পড়ি তর্জমা ছাড়া যার অর্থ না জেনে সমাধান পাই না।
যে সব হাদিস কুরআনের হুবহু অনুসরণ আছে তা বাদ দিয়ে সাইখুল হাদিস সাহেবরা পছন্দ মত হাদিস গুলো ব্যবহার করেন। কুরআনে বনি ইসরায়েল থেকে আজ পর্যন্ত সব সমাধান আছে! শায়খুল সাহেবদের কথা হচ্ছে কুরআন বুঝতে সাতসমুদ্র হাদিস পড়তে হবে, অহংকার বশতঃ কুরআন বাদ দিয়ে ব্যবসায়ী মানসিকতায় হদিসে মুফতি মাওলানা হচ্ছেন অথচ কুরআন কে বলা হয়েছে ম্যাপ, ইহা আল্লাহর রজ্জু সরাসরি, হেকমাহ ই কুরআন (সরল সঠিক পথ) এহ দেনার সিরাতুল মুস্তাকিন!
সূরা মায়দা য় বলা হয়েছে, আল্লাহর বিধানের বিরুদ্ধে ফয়সালা দিলে (বিচার করলে) সে কাফির, ফাসেক, জালেম বলে গণ্য হবে। এসব বিতর্ক নিয়ে তবলীগ জামাত ও দুইভাগ। শিয়া সুন্নি হানাফি সহ শত ভাগাভাগি মুসলমানের ভিতর। বিশ্বে ধর্মীয় ভাগাভাগি তো ৪৩০০ ধর্মের আছেই।
যা কুরআনে কোথাও নাই হাদিসে আছে তা করতেই হবে! কুরআনের কোথাও পরিধেয় বস্ত্র নিয়ে নির্দিষ্ট নির্দেশ নাই Ref : ইসলামি রিসার্চার পান্না সাহেব ও সওল সজল। এমনি পর্দা একটা বিতর্কিত বিষয়। মহিলা রা দুটো চোখের ফুটা ছাড়া আর কিছু সূর্যের আলোতে আনতে পারবে না। বার্ন ইউনিটের পোড়া রোগীর মত ব্যান্ডেেজ মুখে, ৫/৬ বছরের বাচ্চা বালেগ না তাকে ও তাই পরায়ে মা গর্বিত। অজ্ঞতা কাকে বলে!
অথচ এহেন নারী সূক্ষ্ম কারচুপির মিথ্যা কথা হিংসা বিদ্বেষ দম্ভ গর্ব সম্পদ বিলাসিতা কিছু থেকে বাদ থাকেন না। নবী করীম সঃ যে মহিলার ব্যবসায়ি ম্যানেজার ছিলেন তিনি বিবি খাদিজা, তার ব্যবসা ছিলো অনেক বিস্তৃত এবং নিজ হাতে হ্যান্ডেল করেছেন।
আমাদের একদল নারীদের পঙ্গু করতে ব্যস্হ আবার কিছু নারী পঙ্গু হতে ব্যস্হ কারন পুরুষ একজন দরকার হাত ছাড়া করা যাবে না!
প্রিয় পাঠক, কুরআনের তর্জমা শুনুন রোজ। শুধু হাফেজ নয় অর্থ জেনে কুরআন পড়ুন। তখনই শুধু আপনি আল্লাহর হেদায়া (পথ) বুঝবেন ও ছোট ছোট ব্যাপারে আপনি জাহান্নামে কীট হয়ে বসে আছেন তা বুঝতে পারবেন। নারী শিক্ষা বড় প্রয়োজন। মানব সরিষা পরিমান ক্ষতি অন্যায় করা থেকে বেঁচে থাকুন!
মক্কা মদিনায় যেয়ে সেলফি তুলবেন না! আমি ই ধার্মিক হাফ শার্ট পরা লোক ধর্মের কি বোঝে এই অহমিকা থেকে বেরিয়ে আসুন।
প্রায় ১৩ কর্ম করিলে আপনার কোন এবাদত কবুল হবে না। প্রায় ১২/১৩ কর্ম আছে যা করলে আপনার বেহেশতে প্রবেশ নিষিদ্ধ। কবিরা গোনাহের ১৩ নাম্বারে জেনা, এর আগের ১২ টা আমরা মিনিটে মিনিটে করছি। কেউ ডোর্রা মারে না, কোন মেয়েকে কথা বললে, ভালোবাসলে শিরোচ্ছেদ —-
ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন কুরআন তর্জমা শুনুন।



