শনিবার, মে ২৫, ২০২৪

পাগলা মসজিদে এবার মিললো রেকর্ড ৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা

আপডেট:

আশরাফুল ইসলাম তুষার,কিশোরগঞ্জ:
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে থেকে এবার মিলেছে ৫ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার টাকা। যা অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।এর আগে চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি দানবাক্সগুলো খুলে পাওয়া গিয়েছিল রেকর্ড ৪ কোটি ১৮ লাখ ১৬ হাজার ৭৪৪ টাকা।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক কাজী মহুয়া মমতাজের তত্ত্বাবধানে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। দানবাক্সগুলো থেকে প্রথমে টাকা বের করে বস্তায় ভরা হয়।

বিজ্ঞাপন

আটটি দানবাক্সে এবার ১৯ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। পরে মসজিদের দ্বিতীয় তলার মেঝেতে ঢেলে শুরু হয় গণনা। গণনার কাজে প্রায় ২০০ জনের ১৩ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে। গণনা শেষে পাওয়া গেছে মোট ৫ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার টাকা।

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এটিএম ফরহাদ চৌধুরী রাত ৯টার দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিজ্ঞাপন

এছাড়াও মসজিদে নিয়মিত হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র দান করেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা অসংখ্য মানুষ।

এর আগে চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে পাওয়া গিয়েছিল ২০ বস্তা টাকা।

দিনভর গুনে দেখা গেছে, সেখানে জমা পড়েছিল ৪ কোটি ১৮ লাখ ১৬ হাজার ৭৪৪ টাকা। এছাড়াও পাওয়া গেছে বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণ ও রুপা। তখন অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ৩ মাসে এই পরিমাণ টাকা জমা পড়েছিল মসজিদের দানবাক্সগুলোতে।

টাকা গণনার কাজে মাদ্রাসার ১১২ জন ছাত্র, ব্যাংকের ৫০ জন স্টাফ, মসজিদ কমিটির ৩৪ জন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ জন সদস্য অংশ নিয়েছেন।

টাকা গণনার সময় সিনিয়র সহাকরী কমিশনার শেখ জাবের আহমেদ, সিরাজুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার মোছা. নাবিলা ফেরদৌস, সাদিয়া আফরীন তারিন, মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি খলিলুর রহমান ও রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রফিকুল ইসলাম, সিবিএ নেতা মো. আনোয়ার পারভেজসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও দুপুরে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, কিশোরগঞ্জের পৌর মেয়র ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. পারভেজ মিয়া গণনার কাজ পরিদর্শন করেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত