সোমবার, মার্চ ৯, ২০২৬

নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ‘রেড জোন’ কার্যক্রম জোরদার ১০ হাজারেরও বেশি বহিষ্কারাদেশ জারি : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী

আপডেট:

​নিজস্ব প্রতিবেদক |রোম ইতালি ৯ মার্চ, ২০২৬
শহরের ব্যস্ততম এলাকাগুলোতে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে ‘রেড জোন’ ভিত্তিক বিশেষ অভিযান জোরদার করেছে প্রশাসন। স্থানীয় পুলিশ বাহিনীর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মূলত অধিক জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় অবৈধ কার্যকলাপ প্রতিরোধেই স্থানীয় প্রশাসক ও পুলিশ এই বিশেষ কৌশল ব্যবহার করছেন।কার্যক্রমটি শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত পরিসংখ্যানকে ‘অভূতপূর্ব’ হিসেবে দেখছে প্রশাসন। সাম্প্রতিক
​ব্যাপক তল্লাশি: নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন পর্যন্ত মোট ১৭ লাখ ৫৭ হাজার জনকে যাচাই-বাছাই বা তল্লাশির আওতায় আনা হয়েছে।বহিষ্কারাদেশ: আইন অমান্য ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে ১০,০০০ জনেরও বেশি ব্যক্তির বিরুদ্ধে বহিষ্কারের আদেশ জারি করা হয়েছে।​বিদেশী নাগরিকদের সংশ্লিষ্টতা: প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, বহিষ্কৃতদের মধ্যে ৭৪ শতাংশই বিদেশী নাগরিক, যারা বিভিন্ন ধরনের অবৈধ প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন।”বিপুল জনসমাগমকে পুঁজি করে যাতে কোনো অপরাধী চক্র সক্রিয় হতে না পারে, সেজন্যই এই শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।” — স্থানীয় শক্তিশালী প্রশাসনিক কাঠামো ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাঅভিযানের সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে প্রশাসন তাদের নিয়ন্ত্রক কাঠামোকে আরও আধুনিক ও একীভূত করেছে। নতুন এই ব্যবস্থার ফলে তিনটি প্রধান পরিবর্তন আসছে:
​১. প্রিফেক্টদের বিশেষ ক্ষমতা: স্থানীয় প্রিফেক্টরা এখন থেকে পরিস্থিতি বিবেচনায় যেকোনো সময় ‘রেড জোন’ প্রোটোকল কার্যকর করার আইনি ক্ষমতা পাবেন।
২. তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা: জনবহুল এলাকায় অপরাধ দমনে পুলিশ আগের চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হবে।
৩. আধুনিক সরঞ্জাম: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আধুনিক প্রযুক্তি ও আইনি সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা নাগরিকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
​প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ‘রেড জোন’ মডেলটি সফল প্রমাণিত হওয়ায় ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত এলাকাগুলোতেও এটি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত