সোমবার, মে ২০, ২০২৪

বরিশালে কাঁচামরিচে আগুন, কেজি ৫০০ টাকা!

আপডেট:

বরিশালে কাঁচা মরিচ পাইকারি বাজারে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায়।

দু-তিনদিন ধরে কাঁচা মরিচের এমন মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান খুচরা বিক্রেতারা। এছাড়া অন্য সবজি গত সপ্তাহ থেকে একই দামে বিক্রি হচ্ছে বলে জানান বিক্রেতারা।

বিজ্ঞাপন

তবে খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের এমন মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে কিছুই জানেন না বরিশাল নগরীর একমাত্র পাইকারি কাঁচামালের বাজার বরিশাল বহুমুখী সিটি মার্কেটের ব্যবসায়ীরা।

বহুমুখী সিটি মার্কেটের দুলাল বাণিজ্যালয়ের মালিক আমিন শুভ জানান, তারা দুদিন ধরেই কাঁচা মরিচ ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় পাইকারি বিক্রি করছেন। এর আগে গত সপ্তাহে ২০০ থেকে আড়াইশো টাকায় বিক্রি হয়েছে। সেই কাঁচা মরিচ খুচরা বাজারে ব্যবসায়ীরা ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি করছেন।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২৭ জুন) সকালে বরিশাল নগরীর বাংলাবাজার এলাকার খুচরা সবজি বিক্রেতা নূর আলম বলেন, দুই-তিন দিন ধরে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। দুদিন আগেও পাইকারি ২০০ থেকে ২৪০ টাকায় কিনেছি। এখন সেই কাঁচা মরিচ কিনতে হচ্ছে সাড়ে তিনশো টাকায়। তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে কেজি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা করে।

নগরীর বাংলাবাজারে বাজার করতে আসা শাহিন বলেন, গত কয়েকদিন আগে কাঁচা মরিচ কিনেছি ৩০০ টাকায়। এখন সেই কাঁচা মরিচ কিনছি ৪৮০ টাকা করে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি প্রয়োজন।

পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে তিনগুণ বেশি দামে মরিচ বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাবাজার এলাকার সবজি ব্যবসায়ী তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পাইকারি মোকাম থেকে সবজি কেনার পর পরিবহন ব্যয় ও শ্রমিক মজুরি দিয়ে আনতে হয়। তারপর বাজারে সবজি নিয়ে বসলে সেজন্য ভাড়া দিতে হয়। লাইটের জন্য আলাদা টাকা দিতে হয়। অনেক সময় সবজি নষ্ট হয়ে গেলে আমাদের লোকসান গুনতে হয়। তাই খুচরা বাজারের সঙ্গে পাইকারি দরের তুলনা করে লাভ নেই।

তবে আগামীকালের মধ্যে মরিচের দাম কমবে বলে জানান বহুমুখী সিটি মার্কেটের দুলাল বাণিজ্যালয়ের মালিক আমিন শুভ।

এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক অপূর্ব অধিকারী বলেন, কেউ অযথা মূল্যবৃদ্ধি করলে তার বিরুদ্ধে জরিমানা করাসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত