রবিবার, মে ১৯, ২০২৪

বাংলাদেশের নির্বাচন, সরকারি ও বিরোধী দলের শোডাউনে মার্কিন তদারকি

আপডেট:

 

লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

তাং ঃ ০৩.০৮.২০২৩

মার্কিন রাস্ট্র দূত ‘পিটার হাস’ বলেছেন, “কোন বিশেষ দলকে নয় ‘গ ন ত ন্ত্র’ কে সমর্থন করে আমেরিকা”! ওমা, সে কি কথা ? আমেরিকা গনতন্ত্র কে সমর্থন করে একথাতো আজ মিঃ পিটার হাসের মুখে শুনলাম!

বিজ্ঞাপন

 

১. পরশুদিন পাকিস্তানের গনতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিত ইনরান খানের পিটিআই সরকারকে হটিয়ে (২৭২ আসনের সংখ্যা গরিষ্ঠ কোয়ালিশন) অনির্বাচিত শেহবাজকে ক্ষমতায় আনলো কারা সেনা প্রধান কে বশ করে! পাকিস্তানে মার্কিন রাস্ট্র দূত নিজেই স্বীকার করেছেন,” আমরা ইমরান খান কে সরিয়েছি”। সেটা কোন আমেরিকা?

২. তরশু দিন গন নির্বাচনে ক্ষমতায় যাওয়া তুরস্কের এরদোয়ান কে সামরিক ক্যু করালো কে? সেটা কোন আমেরিকা? গত তুরস্কের নির্বাচনে ও এরদোয়ানের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বীর পক্ষ নিলো জোরেশোরে কে? পরাজিত হলো মার্কিন লবির প্রার্থী, বিপুল জন সমর্থনে এরদোয়ানের জয়লাভ!

৩. ভিয়েতনামে নির্বাচত সরকারের বিরুদ্ধে ২০ বছর যুদ্ধ করে ১৯ লাখ লোক মারলো কে?

৪. ১৯৭১ সালে গণজোয়ারে বিজয় লাভ করা মুজিবের বিরুদ্ধে সপ্তম নৌবহর পাঠালো কে? সে কোন আমেরিকা?

৫. ১৯৭৩ সালে চিলির গনতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিত আলেন্দে কে মেরে “সামরিক জান্তা ‘পিনাচোট’ কে ক্ষমতায় বসালো কে, ২০ বছরে পিনাচোট ৬০ লক্ষ লোক মেরে ক্ষমতায় ছিলো, মার্কিন মানবতা তখন কোথায় ছিলো?

 

বাংলাদেশের আওয়ামীলীগ বিএনপি কে শোডাউন করতে দেন, বিএনপি গনজাগরণ সৃষ্টি করে থাকলে কোন মাস্তান প্রশাসন তাকে ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না!

পুলিশের দুটো গাড়ী ভাঙচুর আর কিছু বিএনপি কর্মী আটক দেখে আপনার Human Right Watch কি ভাবে

আগাম বলে, ” বাংলাদেশের নির্বাচন সুষ্ঠু নিরপেক্ষ হওয়ার সম্ভাবনা নাই “। সব দেশে সব নির্বাচনে প্রশাসনের গাড়ী ইটপাটকেল খায়, প্রশাসন কিছু ধরপাকর করে it is normal practice of Election! ভারতের নির্বাচন সামনে রেখে মণিপুর পুড়ছে না?

ফ্রান্সের রোডে মানুষ নেমে আসছে না। আপনার ২৪ কংগ্রেস ম্যান বাংলাদেশ কে জাতিসংঘের মানবাধিকার

সদস্য পদ খারিজের অনুরোধ ও ৭৫ কংগ্রেস ম্যান ভারতের বিরুদ্ধে দরখাস্ত করেছে, এ দুটো দেশ মার্কিন টার্গেট কেন? মিয়ানমারের রোহিঙ্গা, স্ত্রী সন্তান জিম্মি করে সামরিক সরকার অর্থ আদায়, মুক্তিযোদ্ধো পরিবার প্রধান কে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা কি মানবতা গনতন্ত্রের ভিতর পড়ে, সেখানে Human Right Watch এর চোখে পড়ে না?

 

একটা সরকার যতক্ষণ ক্ষমতায় থাকে ততক্ষণ তার দায়িত্ব থাকে আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখা। তাছাড়া বাংলাদেশের বিরোধী দল (বিএনপি) অতীত ইতিহাস

তিনমাস পর্যন্ত পেট্রোল বোমা মেরে প্রচুর লোক হত্যা করেছে, আগুনে দগ্ধ হয়ে সারা দেশের হাসপাতালের বার্ন ইউনিট তিল ঠাই জায়গা ছিলো না! বাতাসে মানুষের মাংস পোড়া গন্ধ টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত মানুষের নাকে পেতো! এছাড়াও রাজনৈতিক দল হিসাবে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ইতিহাস প্রচুর যার জন্য কানাডা রাজনৈতিক আশ্রয় দেয় নাই বিএনপি কে সন্ত্রাসী দল আখ্যা দিয়ে, এতো সেদিনের কথা। এ অপবাদ এত বড় একটা দল দীর্ঘদিন ক্ষমতায় ছিলো, তার জন্য কলঙ্ক জনক। তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর স্পেশাল নজরে রাখতে হয়।

আগাম নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না, পদ্মাসেতুর ঋণ দেয়ার আগে টাকা চুরি হয়েছে বলে কানাডা আদালতে বিশ্বব্যাংক ক্ষমা চেয়েছে!

বিএনপি যদি ঠকে যায় বিশ্ব মিডিয়া তথা বাংলাদেশে প্রায় ৪৫ টা ব্রডকাস্টিং চ্যানেল প্রচার করবে ঠকে যাওয়ার কারন, অবৈধ কিছু হলে জনগন টেনে নামাবে

সরকার কে, ডিজিটাল যুগে কিছু ই মানুষ চক্ষুর আড়ালে করা যায় না! আপনাদের কালো থাবাটা দূরে রাখেন দেখেন কি হয়?

ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশকে ভালবাসেন।

 

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত