রবিবার, মার্চ ২২, ২০২৬

প্রতিদিন ডিম কেন খাবেন, ডিমের পুষ্টি উপাদান

আপডেট:

ডিমের পুষ্টি উপাদান
একটি বড় আকারের ডিমে প্রায় ৭৮ ক্যালরি, ৬ গ্রাম প্রোটিন ও ৫ গ্রাম চর্বি থাকে। ভিটামিন এ থাকে ৮ শতাংশ, ৬ শতাংশ ফোলেট, ১৫ শতাংশ বি৫ বা প্যানটোথেনিক অ্যাসিড, ২৩ শতাংশ বি১২, ২০ শতাংশ বি২। এ ছাড়া পাবেন ফসফরাস, সেলেনিয়াম, ভিটামিন ডি, ই, বি৬, ক্যালসিয়াম ও জিংক। এখন তো ডিমে ওমেগা-৩-ও যুক্ত করা থাকে।কেন প্রতিদিন খাবেন
ডিমের কুসুমে লুটেইন ও কেরোটিনয়েড থাকায় বয়স্কদের ক্ষেত্রে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন হয়ে দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কা কমে। এ ছাড়া ভিটামিন এ চোখের জন্য উপকারী।

ডিমের ফোলেট, বি৬, বি১২ রক্তশূন্যতা হতে দেয় না। ভিটামিন ই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা আমাদের তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে ও বিভিন্ন ক্যানসার প্রতিরোধেও উপকারী।ডিমের ভিটামিন ডি হাড় ও পেশি মজবুত করে।অনেকের প্রশ্ন থাকে, ডিমে কোলেস্টেরল থাকে, তাই ডিম খাওয়া যাবে কি না? ডিমের কুসুমে প্রায় ১৮৬ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল থাকে, যার মধ্যে বেশির ভাগ এইচডিএল বা ভালো কোলেস্টেরল। প্রতিদিন আমাদের এর চেয়ে বেশি কোলেস্টেরল প্রয়োজন হয়। তাই প্রতিদিন একটি বা দুটি ডিমের কুসুম শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়; বরং উপকারী।ডিমের সাদা অংশে অ্যালবুমিন ও শরীরের জন্য অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা পেশি তৈরি, ওজন ও রক্তাচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে প্রয়োজনীয়। প্রতিদিনের প্রোটিনের উৎস হিসেবে ডিম সবচেয়ে সহজলভ্য ও তুলনামূলক সস্তা।কখন খাওয়া নিষেধ
তবে এত কথার মধ্যে কিছু মন্দ কথাও আছে। এই ডিমে যদি আমরা প্রাণিজ চর্বি যোগ করি (যেমন মাখন ও ঘি), তাহলে এর ক্যালরি অনেক বেড়ে যায় ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে পড়ে। এ কারণে সবচেয়ে ভালো হলো সেদ্ধ এবং অলিভ অয়েল বা উদ্ভিজ্জ তেলে রান্না করা ডিম।কিডনি রোগীদের প্রোটিন একটু হিসাব করে খেতে হয়। তাই কিডনি রোগীরা দিনে একটির বেশি ডিম খেতে পারবেন না।অনেকের ডিমে অ্যালার্জি থাকে, তাঁদের ক্ষেত্রে ডিমটা বাদ দিতে হবে।কাজেই ডিমের মন্দ দিকের চেয়ে ভালো দিকই বেশি, তাই প্রতিদিন নাশতায় একটা ডিম অবশ্যই থাকা উচিত।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত