শনিবার, মে ২৫, ২০২৪

ভৈরবে ককটেল বিস্ফোরন ঘটিয়ে ২০ দোকান ভাংচুর ও লুটপাটের বিচার দাবিতে মানব বন্ধন

আপডেট:

সোহানুর রহমান সোহান ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি :
গত ৬ জুলাই তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে মধ্যরাতে সড়কের বৈদ্যুতিক লাইন বন্ধ করে রাতের আধাঁরে পৌর শহরস্থ দুর্জয় মোড় সংলগ্ন রাস্তার দু পাশের ২০টি দোকান  ভাংচুর ও লুট করা হয়। ভৈরবপুর দক্ষিন পাড়ার বাউড়ার বাড়ির লোকজন ওই সময় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রথমে ১০/১২ টি ককটেলের বিস্ফোরন ঘটালে  ব্যবসায়ী সহ এলাকার লোকজন ভয়ে পালাতে থাকে। এ সময় ২০টি দোকানে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। খবর পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। ঘটনার  ২ দিন পর ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের পক্ষে বাদী হয়ে মামলা করেন আব্দুল্লাহ আল মামুন বাচ্চু। অপর দিকে প্রতিপক্ষ বাউড়ার বাড়ির শহীদ মিয়া বাদী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অপর একটি মামলা দায়ের করেছে।
উক্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দূর্জয় মোড় সংলগ্ন মার্কেটের ব্যবসায়ীরা ককটেল বিস্ফোরন, দোকান ভাংচুর ও লুটপাটের বিচার দাবীতে গতকাল বৃহস্পতিবার ১১ টার দিকে ক্ষতিগ্রস্থ’ ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ করে। ব্যবসায়ীগণ স্থানীয় সংসদ সদস্য নাজমুল হাসান পাপন এর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। মিথ্যা মামলা দায়ের করায় প্রতিবাদ জানায়। মানব বন্ধন শেষে ১১টি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিচার ও ক্ষতিপূরণ চেয়ে ভৈরব চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এর সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। অনুলিপি স্থানীয় সংসদ সদস্য, বানিজ্য মন্ত্রনালয় সচিব. জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার কিশোরগঞ্জ সহ উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউ.এন.ও এবং মেয়র ও  সাংবাদিক নেতৃবৃন্ধের নিকট বিচারের দাবিতে লিখিত অভিযোগ পাঠান । এ সময়  ব্যবসায়ী হোসেন মিয়া, মঞ্জু মিয়া,ইসলাম  উদ্দীনসহ ব্যবসায়ীরা বলেন,  গত ৬ জুলাই  রাতে ভৈরবপুর বাউরার বাড়ির লোকজন সড়ক বাতি অফ করে ককটেল ফাটিয়ে ২০/২৫ টি দোকানপাট ভাংচুর করে অন্তত ২৫ লাখ টাকা লুটপাট করে।  তাই হামলাকারীদের  দূত গ্রেফতার ক্ষতিপূরণ দাবী জানান সরকারের কাছে। খবর পেয়ে,  ভৈরব  থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম  ঘটনাস্থলে  পৌছে পরিস্থিতি  নিয়ন্ত্রণে  আনলে অবরোধ প্রত্যাহার করে ব্যবসায়ীরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত