সোমবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৪

মসজিদ উন্নয়নে আলেমসমাজের পদক্ষেপ দেখতে চাই

আপডেট:

দুই হাজার বছরের প্রাচীনতম জনপদ কাপাসিয়ার বি /৭৭ ওয়েলফশন অফিস রোড এর পশ্চিম দিকে ১৭ শতাংশ জমির উপর অবস্থিত বর্জাপুর পাঁচুয়া রিয়াদ জামে মসজিদ। যেখানে পাঁচশতের অধিক মুসল্লী এক সাথে নামাজ আদায় করতে পারে। মসজিদ নির্মাণে অর্থায়ন করে সৌদি আরবের শেখ আব্দুল্লাহ বিন মুসা আল ইসমাইল। তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী ২০০০ সালে উদ্ভোদন করেন। মসজিদ টি আশপাশের এলাকার মধ্যে সব থেকে বড় হওয়ায় বড় মসজিদ নামেও পরিচিত লাভ করে।

অত্যান্ত দুখের বিষয় এই মসজিদে কখনো কখনো ঠিক মতো জামায়াত হয় না। মসজিদের ইমাম সাহেব জনাব আবু ইউসুফ মৌলভী উনিই মসজিদের ইমাম এবং মুয়াজ্জিন এর দ্বায়িত্ব পালন করে থাকেন। মসজিদটির বর্তমানে খেয়াল রাখছেন আঙ্গুর ম্যালিটেরি – প্রাক্তন সৈনিক, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
মুসল্লীদের অভাবে মসজিদটি সব সময় ফাঁকা হ’য়ে থাকে। সব সময় বিরাজ করে একটা নিরবচ্ছিন্ন নিরবতা। তাই মসজিদের মুসল্লী বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং ঠিকঠাক ভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের জন্য একটা মাদ্রাসা এবং ইসলামীক পাবলিক লাইব্রেরীর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি। যার ফলে মানুষের চলাচল থাকবে। ওয়েলফশন সত্য অনুসন্ধানী জ্ঞান অনুরাগী কল্যাণকামীদের উন্মুক্ত লাইব্রেরী এবং ওয়েলফশন আল ইসলামিয়া দারুল কোরআন ক্যাডেট মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার জন্য ওয়েলফশন মানবকল্যাণ সংঘ থেকে একদল যুবক চেষ্টা করলেও তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় নি অর্থসংকটের জন্য। আধুনিক পাবলিক লাইব্রেরী এবং মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হলে এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে জ্ঞানের আলো যে আলোয় আলোকিত হবে বিশ্ব। তাছাড়া আইটি দক্ষতার জন্য আইটি প্রশিক্ষণ কক্ষ রাখাও সম্ভব। মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা তাদের জ্ঞানের দক্ষতা দ্বারা আলোড়ন সৃষ্টি করবে সারাবিশ্বে। মসজিদ টি তিনতলা ফাউন্ডেশন দেওয়া রয়েছে। অন্ততঃ দুইতলা সম্পূর্ণ করা হলে মাদ্রাসা ও পাবলিক লাইব্রেরী স্থাপন করা যাবে এর ফলে মসজিদে অন্তত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় হবে। তাই দৃষ্টি আকর্ষণ করছি মসজিদটি নির্মাণে যিনি অর্থায়ন করেছেন এবং উদ্ভোদন করেছেন।
মসজিদ নির্মাণে অর্থায়নকারী সৌদি আরবের রিয়াদ শহরের জনাব শেখ আব্দুল্লাহ বিন মুসা আল ইসমাইল এবং জনাব তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী বিষয় টি উনাদের দৃষ্টিগোচর হলে আমরা আশাবাদী কোনো একটা সমাধান অবশ্যই আসবে। মসজিদটির উপর তালা সম্পূর্ণ করা হলে মাদ্রাসা ও পাবলিক লাইব্রেরী স্থাপন করা সম্ভব হবে।
মাদ্রাসা ও পাবলিক লাইব্রেরী নির্মাণে প্রয়োজন সরকারি উদ্যোগ, এলাকার মানুষদের এবং আলেমদের সাহায্য সহযোগিতা। তাই উলামায়ে কেরাম এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার জন্য।
মুসল্লীরা আশাবাদী অর্থায়নকারী সৌদি আরবের রিয়াদ শহরের জনাব শেখ আব্দুল্লাহ বিন মুসা আল ইসমাইল এবং জনাব তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর করা হলে এই মসজিদে উন্নয়ন হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত