শনিবার, মার্চ ১৪, ২০২৬

নির্বাচন ও সহিংসতা

আপডেট:

 

লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

তাং ঃ ০৮.০১.২০২৪

 

বিজ্ঞাপন

নির্বাচন প্রতিহত কালচার এদেশে হাটু গেড়ে বসেছে!

নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতায় আসার পথ কি? নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন পদ্ধতি “নিরপেক্ষ সরকার”

বিশ্বের কোন দেশে নাই ! বাংলাদেশে ১৯৯০ সালে এরশাদের বিরুদ্ধে দারুন আন্দোলনের মাধ্যমে বিচারপতি

শাহাবুদ্দিনের তত্বাবধানে চমৎকার নিরপেক্ষ নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসেন!

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় আসে তত্বাবধায়ক সরকার ছিলো না তবুও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছিলো, ১৯৭০ সালের বিচারপতি সাত্তার নিরপেক্ষ নির্বাচন দিয়েছিলেন কিন্তু তিনি তত্বাবধায়ক সরকার ছিলেন না। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের গন ম্যাডেড

ক্ষমতাশীন পাক বর্বররা বাঙালি কে ক্ষমতা দিবে না বলেই মুক্তি যুদ্ধ করে বাংলাদেশ হয়েছে।

 

প্রিয় পাঠক, সেই নিরপেক্ষ বিচারপতি সাত্তার ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে চেয়েছিলেন সততার সাথে। সিইসি হিসাবে তার নিরপেক্ষতা ছিলো শতভাগ। এই ভালো মানুষ টাকে নষ্ট করলো মার্শাল ডিক্টেটর জিয়া! তাকে ভাইস প্রসিডেন্ট বানানোর লোভ দিয়া জনগনের ভোট হতে দিলো না, রেফারেন্ডাম (হা/না)

ভোট করে নির্বাচন পদ্ধতি কলুষিত শুরু হলো।

 

১৯৯০/৯১ নির্বাচন বিচারপতি শাহাবুদ্দিন নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকার ছিলেন, ১৯৯৬ তে খালেদা মেয়াদ শেষ হলে তিনি “তত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাদ দিয়ে দলীয় সরকার আনলেন। কিন্তু আওয়ামীলীগের কাছে টিকতে না পেরে পদত্যাগ ও তত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি দিতে বাধ্য হলেন। ১৯৯৬ তে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এলেন, ২০০১ সালে তিনি বিচারপতি ” লতিফুর রহমানের” কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে ভদ্রলোকের মত বাসায় ফিরলেন।

ম্যাডাম খালেদা ক্ষমতায় এসেই সংখ্যা লঘু ধর্ষণ, বাড়ীঘর জ্বালানোতে নামায় দিলেন তার কর্মী বাহিনী । ২০০৬/৭ তিনি তার স্বরাষ্ট্র সচিব কে দিয়ে চিঠি ইস্যু করে ডেকে আনলেন সেনাবাহিনী, পরবর্তী দু’বছরের ইতিহাস সবার জানা! খালেদা মৃত্যু প্রায়, তারেক জিয়া প্রবাসে, কোকোকে অকালে মরতে হলো, মরা কোকো সিঙ্গাপুর টাকা পাচার কলঙ্ক কবরে লেখা হলো ইতিহাস। দায়ী কে , কে দায়ী?

 

তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে এবং আজ খালেদা পরবর্তী হাসিনা সরকার হলে আমরা নিরীহ জনগন ভালোই থাকি কারন একই দল ক্ষমতায় থাকলে

সরকার প্রধান ভালো থাকলেও উপজেলা থেকে গ্রাম পর্যন্ত পাতি নেতারা বেপরোয়া হয়ে যায়, বেড়ে যায় শালিস বানিজ্য, ভূমিদস্যুতা, ধনী হওয়ার প্রবনতা, অনাচার!

কিন্তু সেই পদ্ধতি কে নষ্ট করেছে?

জিয়া জিয়া & জিয়ার বংশধরেরা। প্রতিটি

DESTRUCTIVE WORK of this country performed and well furnished by ZIA and his Dynasty gradually from the beginning of New born Bangladesh!

 

প্রিয় পাঠক, আমি নিরপেক্ষ নই, আমি মুক্তিযোদ্ধা, আমি বাঙালি, আমি স্বাধীনতার পক্ষে কিন্ত আমার কলম ‘নিরপেক্ষ’! সৃষ্টি কর্তাকে হাজির নাজির জেনে আমি নিরপেক্ষ লিখি!

 

আজ কেন “তত্বাবধানয়ক” সরকার পদ্ধতি চান? কার কাছে চান? কে ধ্বংস করছে এ পদ্ধতি? কেন ট্রেনে আগুন দেন? অকালে ৮ টা প্রান পুড়ে দগ্ধ হয়ে মারা গেলো আরো ১০ জন মরার পথে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে! জিয়াউর রহমান যেমন ৩০ হাজার বিচারাধীন ‘৭১ এর সন্ত্রাসী ছেড়ে

দিয়ে, ১১ হাজার কনভিকটেড সন্ত্রাসী ছেড়ে দিয়ে নিজ দলে সন্ত্রাসীর অভয় অরণ্যে পরিনত করেছিলেন, আওয়ামীলীগ সরকার ও ভুল পদক্ষেপ নিয়ে “জামাতের” নিবন্ধন বাতিল করে ‘৭১ এর সরাসরি বিরোধীতা কারী হত্যা খুনগুমের দলের লোকগুলোকে বিএনপি তে ঠেলে দিয়ে তাদের সন্ত্রাসী হাত শক্ত করে দিয়েছেন। তাই আজ ট্রেনে আগুন ধরাতে তারেক জিয়ার কষ্ট করে লোক খুঁজতে হয় না! মৃত্যু বাবার লাশ দেখতে আসা মেয়েকে ট্রেনের বগিতে দগ্ধ হয়ে জীবন দিতে হয়!

 

ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশকে ভালোবাসেন!

ধর্ম পালন করুন, ধর্ম আপনাকে রক্ষা করবে। চুরির টাকায় বিল্ডিং করে মসজিদে নামাজ পড়ে সেই বিল্ডিং এ এসে জীবন কাটালে ঐ নামাজ আপনাকে রক্ষা করে না!

সুদ ঘুষ হিংসা অকৃতজ্ঞতা অর্থ-বিত্তে শক্তির দম্ভ বর্জন করুন! বিপথে আয়ের টাকায় হজ্ব দান কোন উপকাীে আসে না!

বাবার লাশ কবর দিতে এসে নিজে লাশ হলেন ট্রেনে!

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত