লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তাং ঃ ২১.০১.২০২৪
আমেরিকা তাদের মত করে বিশ্বটাকে গড়তে চায়। তারা চায় মার্কিন ডমিনেশন ইন দি হোল ওয়ার্ল্ড। তুমি আমার দলে আছো I love you. তুমি গনতান্ত্রিক মানবতাবাদী বিশ্বব্যঙ্ক আইএফএম জাতিসংঘ সব তোমার পিছে আছে তুমি চীন রাশিয়ার দলে আছো I hate you. তুমি অগণতান্ত্রিক অমানবিক তোমার উন্নয়নে কারো সাহায্য নাই কারন তোমার ওখানে দুর্নীতির আখড়া! তোমাকে নিষেধাজ্ঞা দিলাম।
মার্কিন দোমুখো নীতি দেখুন, বাংলাদেশ কে নিষেধাজ্ঞা দেয় পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা সামরিক সরকার সেখানে নিষেধাজ্ঞা!
নাই। বিশ্বে এমন ৩৫ টা দেশে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আছে!
প্যালেস্টাইনে ২০ হাজার নারী শিশু সহ হত্যা করেছে ইসরায়েল, গাজা অবরোধ করায় জল জ্বালানি বিদ্যুৎ বিনে শিশু না খেয়ে মরছে ইসরায়েল কে নিষেধাজ্ঞা দিছে, দেয় নাই বরং ইরান তুরস্ক আক্রমণ ঠেকাতে তার সবচেয়ে বড় যুদ্ধ জাহাজ পাঠিয়েছে! মানবতা গনতন্ত্র কোথায়?
আমেরিকার আব্রাহাম লিংকন গনতন্ত্রের সবচেয়ে ভালো সজ্ঞা দিয়ে গেছেন, “Democracy is the Government for the peoples by the peoples of the Peoples. ” সারা বিশ্ব এই সজ্ঞা মানে, আমেরিকা মানে না! তাদের গনতন্ত্র হচ্ছে Democracy is for the INTEREST of
America by the interest of America of the interest of America.
গনতান্ত্রিক সন্মেলন হয় আমেরিকায়, পাকিস্তান কে নিমন্ত্রণ দেয় বাংলাদেশ কে দেয় না। বিশ্বের যত সামরিক সরকার তাদের সমর্থন, যত রাজতন্ত্র তারা পাহরা দেয়। এবারের ২০২৪ দ্বাদশ বাংলাদেশ নির্বাচন নিরপেক্ষ হয়েছে বলে সারাবিশ্বের পর্যবেক্ষক বলেছেন। মার্কিন দুইজন পর্যবেক্ষক একজন ডেমোক্রেট দলের (বাইডেন স্যারের লোক) নিরপেক্ষ বলেছেন! তবুও কানাঘুষা টানা চতুর্থ বার শেখ হাসিনা সরকারকে মার্কিন স্বীকৃতি দিবে কিনা।
মার্কিন বিদেশ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার পরিস্কার করেছেন যে না আমরা হাসিনা সরকারের সাথে দুদেশের সম্পর্ক উন্নয়ন করতঃ কাজ করে যাব। বাংলাদেশে মার্কিন রাস্ট্র দূত তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ও বিদেশ মন্ত্রী হাসান মাহমুদ কে বৈঠক দিয়ে, আমরা একসাথে কাজ করবো বলেছেন !
কি চায় মনে মনে আমেরিকা?
১. বাংলাদেশে আর নয় হর্স রেস উন্নয়ন।
২. একটা সামরিক ঘাটি!
৩. মুজিব কন্যা নয় একজন পুতুল সরকার।
৪. চায়না রাশিয়া থেকে সরাতে —
৫. বঙ্গোপ সাগরে চীন আধিপত্য খর্ব এবং চীন বিরোধী মার্কিন আধিপত্য বিস্তারে বাংলাদেশের সহায়তা!
৬. বঙ্গোপসাগরে এবং ইন্দোপ্যাসিফিক যে সব জোট আমেরিকা গঠন করে দিচ্ছে ভারত জাপান অস্ট্রেলিয়া সেখানে বাংলাদেশ না থাকলে এ জোটের মূল্য শূণ্য তাই বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি!
কি হয় নিষেধাজ্ঞায়? ঃ
১. ১৯৯৮ সালে ভারতে “নরসীমা রাও” আমলে অর্থমন্ত্রী তখন “যোশ বন্ত সিনহা” মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এলো। কুছ নেহি হুয়া থা, আবার একবছর পর নিজেরা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো। ভারত আর আমাদের বড় পার্থক্য একটা–
বৈদিক বিপদ এলে সব দলমত মানুষ এক হয়ে যায়। বাংলাদেশ স্বাধীনতার ১৯৭১ সাল থেেকে দুই ভাগে বিভক্ত
স্বাধীনতার পক্ষ শক্তি আর সেই থেকে বেঈমান আজ ও দন্ডায়মান যারা টাকা পয়সা দিয়ে বৈদেশিক শত্রু ডেকে আনে!
মার্কিন শুধু নিষেধাজ্ঞায় ক্ষান্ত হয় না, রিজার্ভ আটকায় আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ভদ্রতা মানবতা গনতন্ত্র কোন কিছুর ধারধারে না! শেষ পদক্ষেপ হত্যা ক্যু, নিজে সরাসরি আক্রমন। ভিয়েতনাম আফগানিস্তান কোরিয়া কম্বোডিয়া, ইরাক!
ফলাফল সব জায়গায় পরাজিত হয়ে পালায়ন। কিন্তু দেশটাকে ধ্বংস করে দিয়ে যায়, জীবন দিতে হয় লাখ লাখ লোকের! আর বাংলাদেশ সেতো এক বেঈমানীর আড্ডা খানা! মার্কিন টার্গেট সুদূর প্রসারি, মুজিব কে মারলো ১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধির ১৯৮৪, রাশিয়া গর্বাচেভের দ্বারা ভেঙে দিলে ১৯৯০ সালে ! কেন, একই ধারায় তিন দেশ? এই তিনদেশ মিলে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিলো!
লেখকের কথা ঃ
একসাথে কাজ করবো যতই বলুক এগিয়ে যান মার্কিন ব্যবসা বানিজ্য প্রগতির ছোয়ায় কিন্ত
১. ভুলে৷ যাবেন না ঘরে শত্রু ভিবিষন কে
২. ভুলে যাবেন না নিকটতম বন্ধু ভারতকে।
৩. ভুলে যাবেন না বর্তমান ভু-রাজনৈতিক বিশ্ব ব্যালান্সড পাওয়ার চীন রাশিয়াকে!
৪. ভুলে যাবেন না আরবীয় দেশগুলো কে সৌদি কুয়েত কাতার আমীরাত —– তুরস্ক ইরান প্রযুক্তি শিখেন!
৫. সব শিক্ষা বিজ্ঞান ভিত্তিক করুন!
৬. ঢিলা ঢালা গোয়েন্দা আর প্রশাসন নয়, অতি বিশ্বাস কাউকে নয়।
৭. মোস্তাকের ২৯ মন্ত্রীর কেবিনেটে বঙ্গবন্ধু কেবিনেট মন্ত্রী ছিলো ২৫ জন। নিজ দলের হাইব্রিড থেকে সাবধান !
ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশকে ভালোবাসেন।
১. প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পরাচ্ছেন সাবের হোসেন চৌধুরী কে(বর্তমান তিনি ঢাকা ৯ আসনের এমপি ও পরিবেশ বন ও বিশ্ব জলবায়ু মন্ত্রী).



