লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তাং ঃ ০৫.০৩.২০২৪
সদ্য বৃটিশ থেকে স্বাধীন পাকিস্তানের স্থপতি জিন্নাহর ৭% উর্দু স্পীকিং দরদ এবং, ৫৭% বাঙালির ভাষাকে অবহেলা করে কার্জন হলে দেয়া ভাষন বাঙালি ছাত্র জনতা ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করে! এমন-ই অখন্ড ভারত
ভেঙে ধর্মের নামে পাকিস্তান রাস্ট্র বানানো প্রগতিশীল বাঙালিরা খুশি হন নাই যদিও জিন্নাহ এ ব্যাপারে একক দায়ী না, গান্ধী নেহেরু ও মুসলমান তাড়াতে চেয়েছিলেন বৃটিশ লেখকদের ইতিহাস তা সাক্ষ্য দেয়। বাংলা দুই টুকরা পাঞ্জাব দুই টুকরো করাও বৃটিশ চক্রান্ত ছিলো!
ভাষা সংগ্রামে বাঙালি হত্যায় আলাদা পাকিস্তান বিরোধী মনোভাব সম্পন্নদের নিয়ে গড়ে ওঠে যুক্তফ্রন্ট।
যুক্ত ফ্রন্ট শেরে-বাংলা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মুজিব মিলে নির্বাচন করে জয়লাভ করেন। ১৯৫৪ সালের ৩ রা এপ্রিল যুক্ত ফ্রন্ট মন্ত্রী সভাগঠন ও শপথের দিন করাচি থেকে বুদ্ধ দেয়া হয় আদমজী জুট মিলে দাঙ্গা বাঁধানোর এবং সে দাঙ্গায় প্রায় দেড় হাজার নিরীহ শ্রমিক জীবন দেয়। বাঙালির বিরুদ্ধে ১ ম ষড়যন্ত্র।
দ্বিতীয় ষড়যন্ত্র, সোহরাওয়ার্দী বলেছেন,”যুক্তফ্রন্ট সরকারের প্রথম কাজ বাংলাদেশ কে স্বাধীন করা, তাই
মাত্র ৫৬ দিন পর যুক্তফ্রন্ট সরকারের কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেয়া।
তৃতীয় ষড়যন্ত্র, ১৯৬৮ সালে মুজিকে আগরতলা ষড়যন্ত্রে ফাসানো, মামলায় বলা হয়, মুজিব আগরতলা বসে ষড়যন্ত্র করেছে বাংলাদেশ কে আলাদা করার!
গণ-আন্দোলনে মুজিবকে ছেড়ে দিতে হয় এবং ৬৯ এর গনঅভ্যুত্থানে আইয়ুব খানকে পদত্যাগ করতে হয় !
চতুর্থ ষড়যন্ত্র ঃ ‘৭০ এর নির্বাচনে একক সংখ্যা গরিষ্ঠ দল আওয়ামীলীগ কে ক্ষমতা না দিয়ে ২৫ শে মার্চ রাত সাড়ে বারোটায় সেনাবাহিনী নামিয়ে অপারেশন সার্চ লাইট নামে পিলখানা, রাজারবাগ বিশ্ববিদ্যালয় হল
পুরানো টাউন হিন্দু এলাকা আক্রমণ ও অগ্নি সংযোগ হত্যা নির্বিচারে চালানো।
৫ ম ষড়যন্ত্র ঃ ২০০৪ সালে ভারতকে খন্ড খন্ড করতে আসামের বিদ্রোহী গ্রুপ উলফা নেতা অনুপচেটিয়াকে
আশ্রয় প্রশ্রয় ও ১০ ট্রাক অস্ত্র এনে এদেশের বিএনপি সরকারের মদদে তাদের দেয়ার চেষ্টা করা হয়।
৬ষ্ঠ ষড়যন্ত্র ঃ ২০০৪ সালের ২১ শে আগষ্ট শেখ হাসিনা কে হত্যার জন্য বিএনপি সরকারের মদদে গ্রেনেড হামলা হয় গুলিস্তান জনসভায়, ২৪ জন স্পট ডেড।৩০০ আহত। এ ষড়যন্ত্রে উপমন্ত্রী পিন্টু, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বাবর, হাওয়া ভবনের তারেক জিয়া মাওলানা মুফতি হান্নান যা ততকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অনুমতি ক্রমে ই করা হয়। পাকিস্তান থেকে আর্জেনিক গ্রেনেড ও বিমান বন্দর থেকে ছাড়া পায় সরকারী মদদে, সেনা ও গোয়েন্দা জড়িত ছিলো।
৭ ম ষড়যন্ত্র ঃ ২০০৯ সালে ডিডিআর বিদ্রোহ ঘটানো হয় অনেক পয়সা ঢেলে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার মাসের ভিতর। প্রায় ৫৯ জন সেনা অফিসার হত্যা করানো হয় এমন টা বুঝাতে, আওয়ামীলীগ সরকার সবসময় সেনাবাহিনী বিরুদ্ধে। সেনা অষন্তোষ ও সেনা বিদ্রোহ করানো ছিলো এ ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্য।
প্রিয় পাঠক, বেইলি রোডে আগুন, আজ চিটাগং চিনির গুদামে আগুন, সব ই সেই ১৯৫৪ সালের ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। প্রগতিশীলরা দেশ শাসন না করুক, হিন্দু মুসলমান দাঙ্গা হোক, দেশের উন্নয়ন না হোক, পাকিস্তানের মত এক কেজি আটা ৬৩৩ টাকা হোক (বর্তমান কমেছে), ইমরান খানের মত হাসিনা ক্ষমতা ছাড়ুক, এদেশে জগৎ শেঠ বসে আছে টাকার বস্তা নিয়ে রায় দুর্লভ ইয়ার লতিফ ঘষেটি বেগম মীর জাফররা বসে আছো বিদেশি মদদে ক্ষমতাচ্যুত করে একটা বিদেশি সামরিক ঘাটি করলে, দক্ষিণ এশিয়াকে পদানত করা যায়। বন্ধ করা যায় ভারত চীনের অগ্রযাত্রা যদিও দু-দেশের মধ্যে গোলমাল ও লাগায় রাখে তারা যারা চায় না এ দুই বৃহৎ শক্তি এক হোক!
ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশকে ভালোবাসেন।
পাঁচ হাজার টাকার জায়নামাজে নামাজ পড়া লাগে না আল্লাহ কে পেতে একশো টাকার জায়নামাজের প্রার্থনা তিনি শোনেন! তাই দয়া করে মসজিদ মন্দির ঘরের প্রেয়ার রুমে স্বর্ন খচিত করার দরকার নাই মানব কল্যাণ করেন, মানব দোয়া আশীর্বাদ দীর্ঘশ্বাস আল্লাহ ভগবান বেশী শোনেন তার এবাদত থেকে ও। তিনি গরু খাশী পাঠা যেমন খান না তেমনি সোনা-দানা হিরা জহরত চান না, একটা নিষ্কলুষ মন চান ”



