শুক্রবার, মার্চ ২০, ২০২৬

একজন শেখ হাসিনা! পর্ব – ২ 

আপডেট:

 

লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

তারিখ ঃ ১৬.০৮.২০২৪

 

বিজ্ঞাপন

আমরা আজীবন ভুল শিখলাম ভুল জানলাম!

রাজনৈতিক পরিবার থেকে আগত মানুষগুলো রাজনীতি জানে, আমাদের মত মানুষ গুলো তাদের আজ্ঞাবহ হুকুমের দাস। আমরা প্রজা তারা রাজা, আমরা অজ্ঞ তারা বিজ্ঞ, আমরা পদানত লালায়িত পদ পদবীর জন্য তারা উপরে তুলে নিচে নামিয়ে পাছায় লাথি মেরে ধন্য!

 

প্রিয় পাঠক, বাংলাদেশের রাজনীতিতে “মুজিব” একটা উজ্জ্বল নক্ষত্র যার বিশ্ব বন্ধু মহল ছিলো

ইয়াসিন আরাফাত, নেলসন ম্যান্ডেলা, ফিদেল কাস্ত্রো, আনোয়ার সাদাত, সাদ্দাম, মার্শাল টিটো, হো চে মিন, ব্রেজ নেভ, আহম্মদ বেলবেল্লা, সুলেমান দেমিরিল, মাহাথির মোহাম্মদ, ইন্দিরা গান্ধী ইত্যাদি, যত সব দেশ বদলানো নাবিক!

মুজিব পরিবারের কম পক্ষে ৮ জন সাংসদ ছিলেন! এছাড়া ও প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে শেখ রেহানা, শেখ কবির, শেখ শহীদ ও তার বোন ভগ্নিপতি সহ কয়েক ডজন

রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন বা ডিসিশন মেকার ছিলেন! শেখ শহীদ আওয়ামী রাজনীতি তে জায়গা না পেলেও তার পরিবারের অনেকে in A L political exercising !

আমার দীর্ঘ জীবনের নিজ রাজনৈতিক কর্মকান্ড, অভিজ্ঞতা, অবজারভেশন, লেখালেখির দীর্ঘ দিন আমাকে কেন যেন মনে করায় “মুজিব” পরিবারের এসব লোক কেউ “রাজনীতি জানতেন না! পৈতৃক সূত্রে পাওয়া বিধায় ক্ষমতায় এসেছেন।

 

“রাজাকে রাজনীতি জানতে হয়” এ কথাটা আমার অনেক আর্টিকেলে বলে থাকি। ডায়লগ টা “মোহন লাল’ বলেছিলেন, নবাব সিরাজুদ্দৌলার একটা হঠকারী কর্মে” সেই কর্মটা নবাবের পতন ডেকে আনে! মহান ভারত চলে যায় বৃটিশদের হাতে! ১৯০ বছর গোলামী করতে হয় শ্বেতাঙ্গদের এবং বিভিন্ন ইতিহাসবিদ লিখেছেন, স্বাধীনতা আন্দোলনে এই ১৯০ বছর প্রায় পোনে দুই বিলিয়ন অখন্ড ভারত বাসী হিন্দু মুসলমান জীবন দিয়েছিলেন!

 

শেখ হাসিনার পরিবারিক রাজতন্ত্র, স্বজন প্রীতি (ঢাকা ওয়াসার অথর্ব বিদেশে বাস করা এমডি ৫ বার চাকুরী নবায়ন কেন পাবেন?), ঢিলেঢালা প্রশাসনিক মানসিকতা, ড্যাম কেয়ার ভাব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পলিসি এবং গ্লোবাল পলিটিক্স না বোঝা, দেশের কোন কাজে হোমওয়ার্ক না করা, দুর্নীতিবাজদের বিচারের সম্মুখীন না করা, অথর্ব উপদেষ্টা মন্ত্রী সাংসদ লাগামহীন দুর্নীতি, অহেতুক অপ্রয়োজনে ভারত নির্ভরশীলতা বাড়ানো, চীনকে Ignore করা,

ভারতের আর্থিক ও টেকনিক্যাল সীমাবদ্ধতা না বোঝা, ট্রান্স এশিয়ান রেললাইনের আগে ভারতকে রেল করিডোর দেয়া, নিজের দেশের নেপাল ভূটান রেল সংযোগ ভারত থেকে আদায় করতে না পারা, তিস্তা নিয়ে ভারতের বার-বার মমতা নাটক না বোধগম্য হওয়া, ২০১৮ সালে তিস্তা রিজার্ভার চীন চুক্তি ডাস্টবিনে ফেলা, সব শেষে ছাত্রদের ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলন গায়ে না মাখা, ব্যক্তি হাসিনার গোয়ার্তমি অগণতান্ত্রিক কথাবার্তা সব কিছুর অন্তরালে কে আছে তা না বোঝার মত মানুষের দেশ চালানোর পরিপক্বতার অভাব আমি মনে করি যদি বাংলাদেশের মত দেশকে বিশ্ব মানে নেয়ায় তার অবদান অনস্বীকার্য এবং লোন রিউমারস ক্যামোফ্লেজিং মিস গাইডিং শ্লোগান। কারন, প্রেজেক্ট ও মেগা প্রজেক্ট এগেইনেস্ট এ লোন নিতেই হয় এবং প্রজেক্ট আয় থেকে তা শোধ হতে থাকে। জো বাইডেন স্যার লোন জর্জরিত সরকার তার স্টেট ব্যাংক লোনের জন্য বিরোধী রিপাবলিকান সদস্যদের কাছে হাত জোড় করেছেন দুইবার।

আমেরিকার সিগনেচার ব্যাংক সহ দুটো ব্যাংক দেউলিয়া হয়েছে লোন অভাবে!

বর্তমান সরকার ও ইনশাআল্লাহ আর-ও লোন নিবেন চীন জাপান (এডিবি), আমেরিকা, বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ থেকে এবং শেখ হাসিনা থেকে ও এদেশ কে বিশ্বে ‘অর্থ অস্ত্র সন্মান রেসে’ গ্লোবাল নেটওয়ার্কে এগিয়ে নিবেন, একজন ক্ষুদ্র লেখক হিসাবে এমনটা আশা করি!

ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশকে ভালোবাসেন! সৃষ্টি কর্তা ছাড় দেন ছেড়ে দেন না, তিনি কোন ধরনের বাড়াবাড়ি বরদাস্ত করেন না তা মনে রাখবেন আপনি যে ধর্মের হোন না কেন!

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত