মেলোনি সরকার নতুন নিরাপত্তা আইন বিরোধিতা করে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী জিউসেপ্পে কন্তে দাবি করেন, নতুন নিরাপত্তা ডিক্রির মাধ্যমে সরকার ইতালিতে একটি ‘পুলিশি রাষ্ট্র’ কায়েমের চেষ্টা করছে। তিনি এই ডিক্রিকে জনগণের প্রতিবাদের ভাষা স্তব্ধ করার এবং ভিন্নমত দমনের একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কন্তে অভিযোগ করেন, সরকার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, আবাসন সমস্যা এবং স্বাস্থ্য খাতের সংকট সমাধানে সম্পূর্ণ ব্যর্থ।কন্তে উল্লেখ করেন যে, সরকার সমরাস্ত্র ক্রয় এবং আলবেনিয়ায় অভিবাসী কেন্দ্রে বিলিয়ন ইউরো খরচ করলেও এই নিরাপত্তা ডিক্রিতে মাত্র ৫০ মিলিয়ন ইউরো বরাদ্দ করেছে। তিনি ‘প্রিভেনটিভ ডিটেনশন’ বা প্রতিরোধমূলক আটকের নিয়মকে রাশিয়া বা চীনের মতো স্বৈরাচারী দেশের ব্যবস্থার সাথে তুলনা করেছেন। ইতালিতে বর্তমানে ৫.৭ মিলিয়নের বেশি মানুষ চরম দারিদ্র্যের শিকার এবং খাবারের জন্য চ্যারিটির ওপর নির্ভরশীল—এমন সংকটের কথা তিনি তুলে ধরেন।
– শিল্প উৎপাদন হ্রাস এবং তরুণদের অতি সামান্য মজুরিতে কাজ করতে বাধ্য হওয়ার বিষয়গুলো সরকারের নজরে নেই বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
নতুন নিরাপত্তা আইন ইতালিকে পুলিশের রাষ্ট্র কায়েমের চেষ্টা : জিউসেপ্পে কন্তে
আপডেট:

