বুধবার, মার্চ ২৫, ২০২৬

শীর্ষ ধনী জেলা নোয়াখালী গরিব জেলা মাদারীপুর কিছু কথা

আপডেট:

আনোয়ার মোরশেদ মজুমদার (বুলেট)

নতুন করে ধনী জেলা ও গরিব জেলা নিয়ে মাতামাতি শুরু হয়েছে। অর্থনীতি নিয়ে পড়েছি একাদশ শ্রেণিতে তাই বিষয়টি নিয়ে যে গভীর জ্ঞান থাকার কথা নেই। তবে সংবাদপত্র পাঠক হিসাবে পৃথিবীর উন্নত দেশ ইতালি ও জার্মানিতে এনজিওতে কাজ করার করনে পৃথিবীর ৬০ টি অনুন্নত আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করার করনে যতসামান্য অর্থনীতির জ্ঞান অর্জন করেছি। ধনী ও গরিবের সংখ্যা একদেশ একেক রকম। ইতালি ও জার্মানীতে গরিব যারা তাদের মাসিক আয় ২০০০ ইউরো। আর আফ্রিকা গরিব বলতে বুজায় মাসিক আয় ৫০ ডলার। আফ্রিকা গীনি,ঘানা,ইরিত্রিয়া, সুদান, সাব সাহারা মানুষের মোটামুটি ২০০ ডলার আয় রোজকার থাকলে ধনী বলা হয়। দক্ষিণ আমেরিকার পেরু, ইকুয়েডর, গুয়েতেমালা, কিউবা, হন্ডুরাস, চিলি, সহ সব দেশের মানুষের ৬০০ ডলার মাসিক আয় থাকলে তাদেরকে ধনী বলা ভাবা হয়। বাংলাদেশের ধনী ও গরীবের সংখ্যা কিভাবে নিধারিত হয় তা বলা হয়না। প্রকৃতি সম্পদ থাকলে তা এমনিতে ধনী দেশ হয়ে থাকে। কুয়েত সিটি এর উদাহরণ। এখন আসছি আমাদের বাংলাদেশ প্রসংগে গত দূইদিন পত্রিকা ও টিভি চ্যানেল গুলো গুরুত্ব দিয়ে কোন জেলা ধনী তা নিয়ে মেতে উঠে কিন্তু কোন মিডিয়া বলেনি বাংলাদেশ বর্তমান মূদ্রার স্ফীতি কতো ১২.৫ মুদ্রা স্ফীতি নিয়ে কি করে ধনী গরিব জেলা নিয়ে মাতামাতি করে তা বোধগম্য নয়। এক কেজি গরুর মাংস সোনার হরিন সেখানে এইসব কথা প্রচার করে কি লাভ। নোয়াখালী জেলা ধনী হিসাবে তাদের নগর চিত্র কেমন? নদী গুলো মরা খাল অথচ তারা ধনী জেলা হিসাবে উঠে গোশ গল্পে চা দোকান গুলো সরগরম। ফেনী জেলা ও ধনীর তালিকায় রয়েছে। অবকাঠামো দিক দিয়ে ফেনী বেশ উন্নত কিন্তু গত ১৭ বছরের শিক্ষা নান কি উন্নত হয়েছে। নদী ও চরা গুলো ময়লার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে। মাদারীপুর অনেক লোক ফেনী সহ অন্যান জেলা গুলোতে কাজ করে, তাদের অবকাঠামো ও প্রাকৃতিক সম্পদ, প্রবাসী না থাকাতে গরীব জেলা হয়েছে। তাদের নদী ও প্রাকৃতিক পরিবেশ হিসাব করলে তারা ফেনী, নোয়াখালী পল্টন থানা থেকে অধিকতর ধনী জেলা হিসাবে উঠে আসবে। এইগুলো হলো উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়ার জন্য করা জরিপ। এই সব জরিপ জনগনের কোন উপকারে আসে না। ধনী গরিবে সংখ্যা নির্ধারনে আগে মুদ্রা স্ফীতি কমানোর প্রদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত