গত ১৬ বছর আওয়ামী দুঃশাসনের ফলে বিভিন্ন আন্দোলন গড়ে ওঠে। শাপলা চত্বরে হেফাযত ইসলামের আন্দোলন কে কঠোর হতে দমন করে আন্দোলনকে সীমিত করা হয়। বাংলাদেশের বৃহত্তম বিরোধীদল বিএনপিকে নানাভাবে আন্দোলনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়। তাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে প্রায় দেড় লক্ষ মামলা রয়েছে বলে বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম দাবি করেছেন। এরপরে ছাত্রদের কেটা বিরোধী আন্দোলন থেকে স্বৈরাচারী পতনের ডাক দেওয়া হয় দীর্ঘদিনের জনগণের ভোটাধিকার হরণ ও নানা ক্ষোভের কারণে সরকারের বিরুদ্ধে জনগণ একাত্ম হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। আওয়ামী দুঃশাসন ও ক্ষমতায় টিকে থাকার নির্লজ্জ প্রচেষ্টা হিসেবে জনগণের উপর বেপরোয়াভাবে গুলি হত্যা করে শাসন ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা করে। ফলশ্রুতিতে জনগণ আরো ক্ষিপ্ত হয়ে এই দুঃশাসন থেকে মুক্তি পেতে একসাথে লড়াই নামে। শেখ হাসিনা সরকারের নেতাকর্মীরা পালিয়ে গিয়ে জীবন রক্ষা করে। ফেনী জেলায় ৪ ই আগস্ট নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ১১ জন শহীদ করে। শহীদদের পারিবারিকভাবে মামলা করে প্রকৃত আসামি নিরূপণে অন্যের দ্বারা প্রবাহিত হয়ে নিরীহ লোকদেরকে আসামি করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা আইন উপদেষ্টা বারবার বলার পরেও মামলা বাণিজ্য থামছেই না। এ নিয়ে শহীদদের তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। কিছু লোক জামাত এবং বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে মামলা বাণিজ্য অবাধে করে যাচ্ছে। কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা সারাদেশে এই মামলা বানিজ্য করে যাচ্ছে। প্রকৃত আসামিদ সাথে নিরাপদ মানুষকে জড়িয়ে প্রকৃত আসামিদের আড়াল করে মামলা হালকা করছে বলে শহীদদের পরিবারের অনেকে অভিযোগ করেছে। তারেই ধারাবাহিকতায় ফেনী জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক ফরিদ বাহার মামলা বাণিজ্য নিয়ে পুলিশ প্রশাসন ও গণমাধ্যমের কাছে তার অভিমত ব্যক্ত করেন।এই মামলা বাণিজ্যের সাথে যারা জড়িত অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম, দৈনিক সকালের কন্ঠ প্রতিবেদন ও সম্পাদকীয় প্রকাশ করে আসছে কিন্তু দুর্নীতিগ্রস্ত লোভী লোকদের কারণে এই দেশে তা রোধ করা যাচ্ছে না।

