বাংলাদেশ স্বাধীনতার ইতিহাস রচনা সরকার পতনের সাথে সম্পর্ক রয়েছে। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে একরকম বিএনপি শাসন আমলে আরেক রকম। গত ৫ আগষ্টের ছাত্র জনতার ফ্যাসিবাদ সরকারের পতনে নতুন দ্বারায় প্রবেশ করেছে। এর দায় নিতে হবে গত সরকারের ১৭ বছরের গনতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা চর্চা না থাকা। স্বাধীনতার অমর কাব্যর মহাকবি জাতির জনকের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভাস্কর্য উপর উঠে আনন্দ নিত্য, এটি কোন ভাবে গ্রহনযোগ্য ছিলোনা। তার পর স্বাধীনতা আন্দোলনের স্মৃতি বিজড়িত ৩২ নন্বরে হামলা সব মিলেয়ে স্বাধীনতা বিরোধীদের আস্ফালনের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কর্নেল অলি ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানে স্বাধীনতা ঘোষণা পত্র নিয়ে নতুন ইতিহাসের শুরু বীর মুক্তিযোদ্ধা অলি বয়স ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র এখন সারা বাংলাদেশ আলোচিত হচ্ছে। এর দায় নিতে হবে স্বাধীনতা পরবর্তী সকল সরকারের। ইতিহাস বিকৃতি করে দেশে অস্থিরতা তৈরি একটি পরিকল্পনা বাস্তবায় করার চেষ্টা করছে একটি মহল। গনতন্ত্র বাক স্বাধীনতা বাধাগ্রস্থ করার হীন প্রচেষ্টা করছে একটি মহল। তবে সাধারণত মানুষ তা গ্রহন করেনি। এই ধরনের আচরণ জাতী রাজনৈতিক দলসমূহের কাছে প্রত্যাশা করেনি। জাতি সব সরকারের আমলে নিগৃহীত হয়ে আসছে। জাতীয় আশায় শেষ আশ্রয়স্থল সেনাবাহিনীর যতাযত পদক্ষেপ নেওয়া দাবী সাধারণত জনগনের। সেটি ইতিমধ্যেই সেনা প্রধান তার বক্তব্য সবাই জানিয়ে দিয়েছেন। ১২ ই ফেব্রুয়ারী নির্বাচন হোক স্বাধীনতা রক্ষা ও গনতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের নতুন বাংলাদেশ।

