রবিবার, এপ্রিল ১২, ২০২৬

মেলোনি সরকারের অভাবনীয় সিদ্ধান্ত ম্যাক্রোঁ’র ভুমিকা মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সোচ্চার

আপডেট:

প্রধান সম্পাদক
আনোয়ার মোরশেদ মজুমদার (বিটু)

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (ICC) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা ‘গণহত্যা’ (Genocide) মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইতালি। প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে একটি অত্যন্ত সাহসী ও বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।কেন এই পদক্ষেপ? রোম জানিয়েছে, মানবাধিকার রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল থাকতেই তারা এই কঠোর আইনি অবস্থানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতালির এই অবস্থান দেশটির পূর্ববর্তী পররাষ্ট্রনীতিতে বড় ধরণের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার কর্মীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।ম্যাক্রোঁ’র যুদ্ধবিরতি বার্তা ও লেবানন ইস্যু
​ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তার বিশেষ বার্তা দিয়েছেন। তিনি আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে হওয়া সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির পরিবেশকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তার বার্তায় ছিল সতর্কবার্তাও।লেবানন সংকট ম্যাক্রোঁ সতর্ক করে বলেছেন যে, লেবাননের পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত নাজুক। লেবাননকে বাদ দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে প্রকৃত শান্তি ফিরিয়ে আনা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।শান্তি চুক্তির দাবি ফরাসি প্রেসিডেন্ট জোরালো দাবি তুলেছেন যেন যেকোনো ধরণের শান্তি আলোচনা বা চুক্তির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পর্যবেক্ষণ: বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির প্রভাবইউরোপীয় দেশগুলোর এই সক্রিয় অংশগ্রহণ মধ্যপ্রাচ্য সংকটের স্থায়ী সমাধানে নতুন মাত্রা যোগ করছে।কূটনৈতিক মোড় নিয়েছে একদিকে মেলোনি সরকারের আইনি লড়াই এবং অন্যদিকে ম্যাক্রোঁ’র কূটনৈতিক তৎপরতা প্রমাণ করে যে, ইউরোপ এখন আর কেবল দর্শক নয় বরং নীতিনির্ধারক হিসেবে ভূমিকা রাখতে চায়।অর্থনৈতিক প্রভাব: আন্তর্জাতিক রাজনীতির এই পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশ্ব অর্থনীতি এবং জ্বালানি তেলের বাজারের ওপর। ইতালির মতো দেশের এমন অবস্থান বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরণের ভারসাম্য তৈরি করতে পারে। ইতালির আইনি অবস্থান এবং ফ্রান্সের কূটনৈতিক চাপ—এই দুইয়ের সমন্বয়ে মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন অনেক বেশি সোচ্চার ও প্রভাবশালী হয়ে উঠছে।সমুদ্রে অবতরণের পর নভোচারীদের প্রথমে ওরিয়ন ক্যাপসুল থেকে একটি বিশেষ নৌযানে নেওয়া হয়, যাকে মহাকাশ বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘ফ্রন্ট পোর্চ’। সেখান থেকে হেলিকপ্টারযোগে তাদের মার্কিন নৌবাহিনীর অত্যাধুনিক উদ্ধারকারী জাহাজ ‘ইউএসএস জন পি মুরথা’র মেডিক্যাল বে-তে নিয়ে যাওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত