লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তাং ঃ ৩০.০৬.২০২৩
দার্শনিক “গোখলে” বলেছিলেন, “বাঙালি যা আজ ভাবে ভারত তা ভাবে একসপ্তাহ পর”! আমরা আগে বাঙালি তারপর হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খৃষ্টান! বাংলাদেশ হচ্ছে সেই বাঙালির আদি শিকড়, মুসলমান জনগোষ্ঠী প্রায় ৯০%, ভারত হচ্ছে হিন্দু জাতিগোষ্ঠী প্রায় ৮০%, দুটো দেশ ই এখন মৌলবাদী সংবিধান! বাংলাদেশের সরকার ধর্মনিরপেক্ষ তাই দৃষ্টিভঙ্গি উদার কিন্তু সংখ্যালঘূ নির্যাতন জিরো টলারেন্স এ যায় নাই, ভারতে সরকার মদদ দাতা “কাশ্মীরে দেবালয়ের ভিতর পুরোহিতের মুসলমান কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা”, মণিপুরে সরকারি মদদে হিন্দু খৃষ্টান দাঙা!
বাঙলাদেশে ২০ হাজার কওমি মাদ্রাসা যেখানে কোন ইতিহাস ভুগোল দর্শন বিজ্ঞান পড়ানো হয় না! প্রতিবছর প্রায় ২১ লাখ ছাত্র পড়াশোনা করে! যারা আধুনিক পৃথিবীর শিক্ষাহীন শিক্ষিত। পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর তারাও একটা সো কল্ড শিক্ষিত অংশ। ৮ কিঃ মিঃ যেতে ৬৮ টা কওমি মাদ্রাসা! তাদের দর্শন হচ্ছে কিছু দেখো না, কিছু শিখো না, সব বেহেশতে তাদের জন্য প্রস্তুত আছে! তাদের কোর্সে কিছু রদবদল হলেই একটা চমৎকার শিক্ষা ব্যবস্হা হতে পারে। গরীব মধ্য বিত্তরা সস্তা শিক্ষা পেয়ে সন্তান সেখানে দিচ্ছেন এবং গোমড়া হয়ে বের হচ্ছেন! একই কুরআনের মুসলমান ইরান, এমন মাদ্রাসা নাই কিন্তু এডুকেশন সিস্টেমে ধর্ম আছে এবং বিজ্ঞান ও আছে তাই তারা পরমাণু মিসাইল ড্রোন তৈরি তে এখন বিশ্ব সেরা!
বলতেছিলাম, সেই গোখলের দেখা বাঙালি অধঃপতনের পথে। নবী করীম সঃ বলেছেন, ” জ্ঞান অর্জনে প্রয়োজনে সূদুর চীনে যাও “! এসব শায়েখ মুফতিদের ফতোয়া টিভি দেখো না, নেট দেখো না, বিজ্ঞান পড়ো না, আমরা যারা লেখালেখি করি তারা তাদের দৃষ্টিতে নাস্তিক!
আজকের কুরবানির (২০২৩ সাল) শুধু বাংলাদেশে জীবন গেছে ৯৯ লাখ ৫০ হাজার ৭৬৩ টা পশুর। হিন্দু ধর্মে পাঠা বলি, মহিষ বলি, সতীদাহ জীবন সংহার হচ্ছে অন্য জীবের Sacrifice (কুরবানি) হচ্ছে আমার। অথচ আমার রিপুর লাগাম টানছি না, লোভ লালসা, সুদ ঘুষ, হিংসা বিদ্বেষ, সালিস বানিজ্য, নিয়োগ বানিজ্য, জরিপ বানিজ্যে, মা বাবার বৃদ্ধাশ্রম প্রেরন, ভুমি দস্যুতা বন্ধ নাই!


