শনিবার, ডিসেম্বর ৬, ২০২৫

ফিলিস্তিন ইসরায়েলের যুদ্ধ

আপডেট:

লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।

তাং ঃ ০৯.১০.২০২৩

 

বিজ্ঞাপন

০৮ ই অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিন ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হয়েছে! যারা একদিন চাষাবাদ করে জীবন বাঁচাবে ফিলিস্তিনের বিশাল পড়ে থাকা ভূখণ্ডে বলে বৃটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রী ১৯৪৫ সাল থেকে ইহুদিদের ফিলিস্তিন ভূখন্ডে বসতি গেড়ে দিয়েছিলো তারা এখন দখল করে নিয়ে ছোট্ট ভূখন্ডে পরিনত করছে আসল ফিলিস্তিন কে! পিছে আছেন জো বাইডেন স্যার ও পূর্ব পুরুষরা! আর পিছে পিছাবার জায়গা নাই ফিলিস্তিনের বাসিন্দাদের আত্মহত্যা ছাড়া।

 

বিজ্ঞাপন

যুদ্ধে বিশ্ব দ্বিখণ্ডিত, কে কোন দলে?

১. আমেরিকা ভারত ফ্রান্স ইউক্রেন ইসরায়েলের পক্ষ নিয়েছে সবশেষ সংবাদ পর্যন্ত।

২. বাংলাদেশ চীন ইরান সৌদি আরব কাতার লেবানন

তুরস্ক পাকিস্তান আফগানিস্তান (গতকাল ভুমিকম্পে আফগানিস্তানের দুই হাজার মানুষ মারা গেছে তাদের জন্য দোয়া করবেন)!

 

এপর্যন্ত হতাহত কত?

ইসরায়েলের ৬০০ মারা গেছে ও ফিলিস্তিনের ৩১৩ জন

Co operation of world wide broad cast বলেছে।

 

হামাস বলেছে, স্বাধীনতা না নিয়ে ঘরে ফিরবো না। তাদের সাথে যোগ দিয়েছে লেবাননের “বীর নসরুল্লাহর”

৪ লাখ সেনা। লেবানন থেকে রকেট ছোড়া হয়েছে।

কয়েক হাজার রকেট লাঞ্চার ছুড়েছে ফিলিস্তিন হামাস!

 

কেন আলআকসা মসজিদ মুসলমানদের জীবনের চেয়ে মূল্যবান।

১. ইসলাম আসার আগে এখানে বাস করেছেন, হযরত ইব্রাহিম, ইসহাক, ইয়াকুব, মূসা, দাউদ, সুবাহান, ঈসা আঃ সহ সহস্র পূতপবিত্র মুসলমান যারা ছিলেন নিষ্পাপ।

২. মুসলমানদের প্রথম কেবলা, কাবার আগে এইদিকে মুখ করে নামাজ আদায় করা হতো।

৩. মসজিদুল হারামের (কাবার) পর দ্বিতীয় মসজিদ যা মাত্র ৪০ বছর পর নির্মাণ করা হয়।

৪. এই মসজিদে নবী করীম সঃ নামাজ আদায় করে

মিরাজে গমন করেন।

৫. নবী করীম সঃ বলেছেন, জেরুজালেমের আল আকসা হবে হাশরের ময়দান!

 

১০৯৯ সালে ক্রুসেডারদের দখলে চলে যায় জেরুজালেম। তারা মসজিদের পাশেই ঘোড়ার আস্তাবল বানায়! এ মসজিদ কে অনেক অপমান সহ্য করতে হয়েছে আজ সেখানে মুসলমান প্রবেশ নিষিদ্ধ হয়ে যাচ্ছে দিনদিন! মুসলমান নামাজরত অবস্হায় বুটের লাথি খায়। জেলে পুরে অত্যাচার করে। বসত বাড়ী নির্মাণ করে ফিলিস্তিন ভুমি দখল হচ্ছে রোজ!

এ সবের মুল ইন্ধন দাতা আমেরিকা!

 

৬৩৭ সালে খলিফা উমর রাঃ একজন মাত্র চাকর সাথে নিয়ে অনেক দিন হেঁটে হেঁটে মদিনা থেকে জেরুজালেম যেয়ে বিনা যুদ্ধে জেরুজালেম দখল করেছিলেন!

মনে আছে নিশ্চয়, “ভৃত্য চড়িল উটের পিঠে উমর ধরিল রশি —– এটা দেখেই অমুসলিম বাদশাহ বিনা যুদ্ধে জেরুজালেম ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।

 

প্রিয় পাঠক, মুসলমান হলে ফেজবুক কভার ফটো ছেলে-মেয়ে স্বামী সিন ছিনারী না রেখে আল আকসা মসজিদের ছবি দিন যেমন শহীদমিনার-স্মৃতিসৌধ দিয়া থাকেন। একাত্মতা ঘোষণা করুন হামাস ও হিজবুল্লাহ রক্ত দিচ্ছে, যুদ্ধ করছে, আপনার ফিলিস্তিন মুসলমান ভাই মাবোন রোজ মরছে তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হউন। এ ইতিহাস নিজে জানুন, সন্তানকে জানান এবং দোয়া করেন পতন হোক ঐ বৃহৎ শক্তির যারা সারা বিশ্বে মুসলমান নিধনে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে।

 

ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশকে ভালবাসেন।

মানবতা আসল ধর্ম, অন্যায় হচ্ছে ফিলিস্তিনের উপর গত ৭৩ বছর আর মেনে নেয়া যায় না। আপনার দেশ জ্ঞান বিজ্ঞানে পিছিয়ে গেছে ফালতু ফতোয়ায় কিন্তু বিশ্ব মুসলমান অনেক এগিয়েছে। আমেরিকা বলেছে ইসরায়েলকে সব কিছু দিয়ে সহায়তা করা হবে, তুরস্ক ইরান কাতার সৌদি বাঙলাদেশ বলেছে তারা সব কিছু দিয়ে সহায়তা করবে।

চীন রাশা পিছে আছে সন্দেহাতীত ভাবে। আপনিও আপনার দোয়া প্রচার দিয়ে তাদের মনোবল শক্ত করুন।

 

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত