একটি সংগঠনের উদ্যোগে বদলে গেছে গ্রামের চিত্র। গ্রামের সকল পরিবার হয়েছে এখন সচ্ছল। এই গ্রামে এখন ফিতরা ও যাকাত নেওয়া মানুষ নেই। সবাই স্বাবলম্বী।
মাহমুদ বেগম নামে এক কলেজ শিক্ষার্থী জানান, তার পরিবার দরিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশনের সহায়তা ঘর ও সেলাই মেশিন পেয়েছেন। তার বাবা নেই মা ও ছোট বোনকে নিয়ে ঘরে বসবাস করছেন। সেলাই মেশিনের মাধ্যমে মানুষের জামা কাপড় সেলাই করে নিজেও স্বাবলম্বী হয়েছেন।
চাঁদের হাসি দরিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ আলম জানান, ২০০৩ সালে আমাদের সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এলাকার চলনশীল মানুষের ফেতরা ও যাকাত এক সাথে করে আমরা কাজ করে থাকি। এভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করার পর থেকে ইসলামের বিধি মোতাবেক যে ৮টি খাত রয়েছে সেই হিসাবে বর্তমানে আমাদের গ্রামে যাকাত-ফিতরা নেওয়ার মতো কোনো মানুষ নেই। গ্রামের ৮০টি অসহায় গরীব পরিবারকে ঘর তৈরি করে দিয়েছি। এছাড়াও গ্রামের অসহায় ও গরীব মানুষকে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সহায়তা দিয়ে আসছে। গ্রামের বেকারত্ব ঘোচাতে অসহায় ও গরীব মানুষের মাঝে গরু, ছাগল, সেলাই মেশিন, অটোরিকশা ও ভ্যান গাড়ি বিতরণ করেছি। বর্তমানে আমার নিজ গ্রামের মানুষদের স্বাবলম্বী করে এখন পার্শ্ববর্তী গ্রামের মানুষদের স্বাবলম্বী করতে উদ্যোগ নিয়েছি।
জেলা সমাজসেবা অফিসের সহকারী পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, চাঁদের হাসি গ্রামের দরিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন সংগঠনটি গ্রামের মানুষদের স্বাবলম্বী করতে যে উদ্যোগ নিয়েছে তা প্রশংসনীয়। সংগঠনটি সরকারি নিবন্ধনের আওতায় আসলে সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা দেয়া হবে।



