সুমন মাহমুদ
নাট্য সংগঠক
ইংল্যান্ডের গোয়েন্দা দ্বারা ভারতে স্থাপিত প্রতিষ্ঠিত এক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হতে জন্ম নেয়া একটি রাজনৈতিক দলীয় মতবাদ ছড়িয়ে পড়েছে দুনিয়া জুড়ে। এক পর্যায়ে প্রবক্তা ভারত হতে বিতাড়িত হয়ে পাকিস্তানে আশ্রয় নেয় । বর্তমানে পাকিস্তানীরাও ঐ দল ও মতবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এই দলটিকে আমেরিকা মডারেট বলে সার্টিফিকেট দিচ্ছে।
সবাই জানেন যে- আমেরিকা যার বন্ধু তার আর শত্রু লাগে না। আমেরিকা যাদের ভালো বলে সৌদি আরব তাদের অর্থনৈতিক আশ্রয় দিবে এটাই স্বাভাবিক।
সংখ্যানুপাতিক ভোট মানে ধর্মাশ্রায়ীদের বেশি সংখ্যক আসন নিশ্চিত করা। দুনিয়ার কোন সভ্য গনতান্ত্রিক দেশে সংখ্যানুপাতিক ভোট আছে? কি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য এরা এমন দাবী করছে? যে দাবী ইতিপূর্বে কোন দিন উচ্চারিত হয়নি তা এখন কেন?
আফগানিস্থানে হামলা বা দখলের আগে ইন্দো-আমেরিকা তালেবান উত্থানে সহায়তা করে। লাদেনকে সামনে আসতে সহায়তা করে ও দখল করার ক্ষেত্র তৈরি করে।
ভাববার সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি। ভেবে সিদ্ধান্ত নিতে কেউ বাধা হতে পারবে না। স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব থাকা না থাকা এমন সিদ্ধান্ত সামনের ভোট নির্দিষ্ট করবে। যারা রাজনৈতিক ভাবে বিশ্বাস করে স্বাধীনতা শুধুমাত্র তাদের অর্জন বা যারা স্বাধীনতাই চায়নি তাদের কাছে স্বাধীনতা থাকা না থাকা কোন মানে রাখে?
জাতীয়তাবাদীরা ভুল করতে পারে কিন্তু ঐ একটা প্রশ্ন – “স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোন আপোষ কখনো করেনি করবেও না”।

