শুক্রবার, মার্চ ২৭, ২০২৬

পাঠাননগর অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয় এর বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও মিলাদ অনুষ্ঠিত

আপডেট:

পাঠাননগর অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয় এর বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিল্পপতি মীর এইচ এম গোলাম কবির, বিশেষত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আজিম ফরায়েজি স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র। সভায় সভাপতিত্ব করেন সভাপতি আবুহেনা মিঠু। সভায় বক্তব্য রাখেন স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ও অভিভাবকেরা। বিশেষ অতিথির ভাষণে শিল্পপতি ও প্রাক্তন ছাত্র আজিম ফরায়েজি, বলেন এই স্কুলের উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার শাহ আলম মজুমদার ও প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর মোহাম্মদ উল্ল্যা পরিশ্রমে এই বিদ্যাপীঠ টি সুনাম অর্জন করে। গত ১৫ বছর এই বিদ্যাপীঠের শিক্ষা কার্যক্রম সহ বিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রাক্তন ছাত্রদের অবমূল্যায়ন করা হয়। প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার শাহ আলম মজুমদারের সন্তান আনোয়ার মোর্শেদ মজুমদার (বুলেট) দৈনিক সকালের কন্ঠের সম্পাদক বলেন এই বিদ্যাপীঠ টি সৌরভে সগৌরবে ফিরে আসবে তার কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে অভিযোগ সুরে বলেন গত ১৬ বছর বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর মোহাম্মদ উল্ল্যা ও নিয়ে শাহ আলম মজুমদারের মত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ছোট করার জন্য স্বার্থন্বেষী কুলাঙ্গার এই বিদ্যাপীঠকে ফিরে রেখেছিল। তারা আজ দলীয় মোড়কে নতুন ভাবে আসার চেষ্টা করছে, তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন প্রফেসর মোহাম্মদ উল্ল্যা
শাহ আলম মজুমদারের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং আল্লাহ যেন তাদেরকে জান্নাতবাসী করেন আশা রাখেন। প্রধান অতিথির ভাষনে এইচএম গোলাম কবির বলেন অতীতে ও আমি এ বিদ্যালয় সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছি ভবিষ্যতে, আমি এ বিদ্যালয়টির দ্বিতীয় তলা ভবনের কাজটি করে দেব। তবে তিনি শিক্ষার্থীদের বলেন তোমরা মানুষের মত মানুষ হবে যাতে এই স্কুলের সুনাম ফেনী জেলার ছড়িয়ে দিতে ছাত্র ছাত্রী দের আহবান করেন। শারীরিক অসুস্থতার জন্য আরো অনেক কিছু বলার থাকলেও তিনি বলতে পারেনি। তিনি প্রফেসর মোহাম্মদ উল্ল্যা ইনজ্ঞিনিয়ার শাহ আলম মজুমদারে রুহের মাগফেরাত কামনা করে করেন। সভাপতির বক্তব্যে আবুহেনা বলেন গত ১৫টি বছর নীরবে চোখের জল ফেলেছি। এই বিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার শাহ আলম মজুমদার ও প্রতিষ্ঠাতা আমার বাবা প্রফেসর মােহাম্মদ উল্ল্যাকে একটি মহল বারংবার খাটো করতে চেষ্টা করেছে। আজ মুক্ত পরিবেশে বিদ্যাপীঠ গৌরব ফিরে এসে আনন্দিত অনুভব করছি। তিনি আরো বলেন কিছুটা আবেগ প্রবন হয়ে উঠেন কারণ প্রফেসর মােহম্মাদ উল্ল্যা তার পিতার জায়গা এবং অর্থ-সম্পদ এই স্কুলের পেছনে ব্যয় করে। তিনি আরো বলেন ইঞ্জিনিয়ার শাহ আলম মজুমদার ও প্রফেসর মােহাম্মদ উল্ল্যা ছিলেন একে অপরের পরিপূরক। এই বিদ্যাপীঠ সাংস্কৃতিক মনা গুণী ছাত্র-ছাত্রী তৈরি হবে, প্রত্যেক সপ্তাহে বিতর্ক প্রতিযোগিতা হবে পূর্ব অবস্থায় যেমন ছিল ফিরে আসবে। এই অনুষ্ঠানে আরো যারা বক্তব্য রাখেন প্রফেসর মােহাম্মদ উল্ল্যার এর সুযোগ্য সন্তান মনজুর মোরশেদ পিন্টু, স্কুলে দাতা সদস্য আবুল কালাম পাটোয়ারী, অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ের জমিদাতা আবুল কাশেম সওদাগরের সুযোগ্য পুত্র জনাব আব্দুল কাইয়ুম, স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র টিটু , সহ অনেকেই পরিশেষে মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘোষনা করেন স্কুল কমিটির সভাপতি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত