দাউপুর পোল্ট্রি খামার ফেনীর সবচেয়ে পুরানো, বিভিন্ন ধারদেনা করে নতুন করে শুরু করে নিঃস্ব হয়েছেন বলে জানিয়েছেন,পরিচালক আলমগীর তিনি বলেন এই মুহুর্তে সরকারের বিশেষ সহয়তা ছাড়া খামারীরা দাড়াতে পারবেনা। মাডান এগ্রো র্ফামের পরিচালক কামরুল আলম বলেন তিনি ও তার খামারীরা নিঃস্ব হয়ে গেছেন। কিভাবে ঘুরে দাড়াবেন বুজতে পারছেনা। বন্যায় নিঃস্ব ফেনীর পোল্ট্রি খামারিরা, ক্ষতি ৩৯৬ কোটি টাকা। এমন বিপর্যস্ত ও অসহায় অবস্থায় পড়েছেন ফেনীর আড়াই হাজারেরও বেশি পোল্ট্রি, গবাদি পশু ও ডেইরি শিল্পের উদ্যোক্তারা। ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা কেড়ে নিয়েছে তাদের সবকিছু।বন্যা ভেসে গেছে লেয়ার, বয়লার ও সোনালী মুরগীসহ ২,৫০০ মুরগির খামার। বন্যায় জেলার ছয় উপজেলায় ৩৯টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ৩৮ হাজার ৭৩১টি গরু, ৩৫৯টি মহিষ, ১৫,৫৮৮টি ছাগল ও ৭৩৬টি ভেড়া মারা গেছে। এছাড়াও ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৫১০টি মুরগি ও ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪৭২টি হাঁস মারা গেছে। মৃত পশুপাখির মোট ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ৩০৮ কোটি ৩৬ লাখ ৩৯ হাজার ৮৩০ টাকা।সূত্র জানায়, ৪২ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৩টি গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে। ১,৯৯২টি গবাদিপশুর খামারের ১৩ কোটি ১৭ লাখ ৩৯ হাজার ২০০ টাকা এবং ১,৬২৩টি হাঁস-মুরগির খামারের ১০ কোটি ৯৭ লাখ ৫ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।এছাড়াও ৩,৯৫০ টন পশুপাখির দানাদার খাবার বিনষ্ট হয়েছে যার বাজারমূল্য ২৩ কোটি ৪৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ৩ কোটি ৮১ লাখ টাকার খড়, ৩ কোটি ৮১ লাখ ৫০ হাজার টাকার পশুপাখির ঘাস বিনষ্ট হয়েছে। প্লাবিত হয়েছে ২৮৫ একর চারণভূমি।এই অবস্থায় ক্ষতি সামলে নিজেদের সব গুছিয়ে নিতে সরকারি খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি আর্থিক প্রণোদনার আশ্বাস চান এই উদ্যোক্তারা।জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মোজাম্মেল হক জানান, এবারের ভয়াবহ বন্যায় ৬৪,১৬১টি গবাদিপশু ভেসে গেছে। মৃত্যু হয়েছে ২৩ লাখ ৪ হাজার ৪১০টি হাঁস-মুরগির। সব মিলিয়ে ফেনীতে ৩৯৬ কোটি ৯ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকার প্রাণিসম্পদের ক্ষতি হয়েছে।প্রাণ সম্পদ অধিদপ্তর খামারিদের ক্ষতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে খাদ্যসহ সব ধরনের সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সহজ শর্তে ঋণ, পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানান তিনি।
সূত্র : DTB, বিশেষ প্রতিনিধি দৈনিক সকালের কন্ঠ
ফেনীতে পোল্ট্রি শিল্পে ব্যাপক ক্ষতির পরিমাণ ৩৯৬ কোটি
আপডেট:

