বুধবার, ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬

গরীবের পিজ্জা বিশ্ববাজারে বাজার বর্তমানে ১৫০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে

আপডেট:

শিল্প উন্নত ইতালি খারার বৈচিত্র্য জন্য সমাদৃত। গরীবের খাওয়া এখন আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ধনী গরিব সবার প্রিয় খাবারের পরিনত হয়ছে। ইতালি অভিবাসী বাংলাদেশী এক পিজ্জাওয়ালা একটি নতুন পিজ্জা তৈরি করে ব্যাপক সুনাম আর্জন করছে।তার নিজের নামে পিজ্জার নামকরণ করা হয়েছে। রসিদ পিজ্জা রোমের অভিজাত অনেকে এটি পছন্দ করে। ১৭ জানুয়ারি ‘ওয়ার্ল্ড পিজ্জা ডে’ উপলক্ষ্যে প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়, ইতালিতে প্রতিদিন প্রায় ২.২ মিলিয়ন পিজ্জা বিক্রি হয় এবং এই খাতে বার্ষিক ১৫ বিলিয়ন ইউরো লেনদেন হয়।দেশটিতে প্রায় ৫০ হাজার পিজ্জারিয়া রয়েছে এবং এতে প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ কাজ করছেন; মুদ্রাস্ফীতি সত্ত্বেও ইতালীয়রা পিজ্জা খাওয়া কমায়নি।
শুধুমাত্র পিজ্জার জন্য বছরে প্রায় ২০০ মিলিয়ন কেজি টমেটো সস ব্যবহৃত হয়, যার বাজারমূল্য ২৫০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি, যা কৃষিখাতে বিশাল অবদান রাখছে। ইতালীয় পিজ্জা চেইনগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ছে এবং পিজ্জাকে ‘মেড ইন ইতালি’ ব্র্যান্ডের অন্যতম শক্তিশালী বৈশ্বিক দূত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইতালিতে সুপারমার্কেট থেকে হিমায়িত বা ফ্রোজেন পিজ্জা কেনার হার ৫% বেড়েছে এবং প্রায় ৪০% পরিবার বাড়িতে পিজ্জা তৈরির জন্য আলাদা উপকরণ কিনছে।বিশ্ববাজারে পিজ্জার বাজার বর্তমানে ১৫০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে এবং ২০৩২ সালের মধ্যে তা ৪০৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পিজ্জার জন্য বিখ্যাত চেইন শপ ‘Alice Pizza’ এবং ‘Pizzium’-এর মতো কোম্পানিগুলোতে বড় বড় বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থ লগ্নি করছে, যা এই খাতের ব্যবসায়িক গুরুত্ব বাড়িয়েছে।

ফটো : হ্যালো ইতালি

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত