মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬

এক সপ্তাহেই পরমাণু অস্ত্র বানাতে পারে ইরান: উইটকফ

আপডেট:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ শনিবার এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছেন, ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির উপযোগী ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেড’ উপাদান উৎপাদন থেকে মাত্র এক সপ্তাহ দূরে থাকতে পারে। চলমান পারমাণবিক আলোচনায় ওয়াশিংটনের কড়া অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি এই পরিস্থিতিকে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে অভিহিত করেছেন।ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে উইটকফ বলেন, ইরান ইতোমধ্যে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করেছে, যা বেসামরিক পারমাণবিক প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি। তিনি বলেন, তারা সম্ভবত বোমা তৈরির উপযোগী শিল্প-মানের উপাদান হাতে পাওয়া থেকে মাত্র এক সপ্তাহ দূরে রয়েছে। এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। তাই তাদের এটি অর্জন করতে দেওয়া যাবে না।উইটকফ জানান, ইরানের সাথে আলোচনার আগে ট্রাম্প তাঁকে এবং প্রেসিডেন্টের জামাতা ও অনানুষ্ঠানিক উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারকে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী, ইরান কোনোভাবেই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারবে না (জিরো এনরিচমেন্ট) এবং তাদের মজুতকৃত পারমাণবিক উপাদানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। উইটকফের ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র এই বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর কিছু সীমারেখা (রেড লাইন) টেনে দিয়েছে।উইটকফ আরও উল্লেখ করেন, ট্রাম্প নিজেও এই প্রশ্ন তুলেছেন যে, অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর বিশাল উপস্থিতি এবং তীব্র চাপের মুখে থাকা সত্ত্বেও ইরান কেন এখন পর্যন্ত তারা পারমাণবিক অস্ত্র চাইছে না বলে ঘোষণা দিচ্ছে না।এছাড়া তিনি নিশ্চিত করেছেন, ট্রাম্পের নির্দেশনায় তিনি ইরানের ক্ষমতাচ্যুত শাহর নির্বাসিত পুত্র রেজা পাহলভির সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। সেখানে ইরানে চলমান বিক্ষোভসহ বিভিন্ন সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাহলভিকে নিজের দেশের প্রতি যত্নশীল একজন ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করলেও উইটকফ স্পষ্ট করেছেন, মার্কিন নীতি শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ীই নির্ধারিত হবে।উইটকফের এসব দাবির প্রেক্ষিতে ইরান এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত