মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬

ইরান আক্রান্ত হলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সব মার্কিন ঘাঁটি মিসাইল হামলার প্রস্তুতি

আপডেট:

যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান সামরিক চাপ আর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ‘১৫ দিনের’ আলটিমেটামের মুখে বহুমুখী কূটনৈতিক ও সামরিক তৎপরতা শুরু করেছে ইরান। জাতিসংঘ থেকে শুরু করে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর রাজধানী, সর্বত্রই এখন তেহরানের দৌড়ঝাঁপ। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি কেবল রুটিনমাফিক কূটনীতি নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য ‘অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই’ বা যুদ্ধ এড়ানোর অন্তিম চেষ্টা। মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক সংবাদমাধ্যম আল-মনিটর এ খবর জানিয়েছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি সপ্তাহে ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন, একটি ‘অর্থবহ চুক্তিতে’ পৌঁছানোর জন্য তেহরানের হাতে বড়জোর ‘১০ থেকে ১৫ দিন’ সময় আছে। চুক্তি না হলে ‘ভয়াবহ কিছু ঘটবে’ বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। এই হুমকির সমান্তরালে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ও যুদ্ধের প্রস্তুতি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।তেহরানের জন্য ট্রাম্পের এই সময়সীমা ও সামরিক মহড়া একটি পুরোনো ক্ষতকে জাগিয়ে তুলেছে। ২০২৫ সালের জুন মাসে ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের সময়ও ট্রাম্প কূটনীতির জন্য ৬০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। ঠিক ৬১তম দিনে শুরু হয়েছিল ভয়াবহ যুদ্ধ। ইরানি কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে সেই তুলনা না টানলেও দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলোতে ওই নজির নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানি নিরাপত্তা পরিষদে চিঠি লিখে ‘সামরিক আগ্রাসনের বাস্তব ঝুঁকি’ নিয়ে সতর্ক করেছেন। ট্রাম্পের বক্তব্যকে জাতিসংঘ সনদের ‘নগ্ন লঙ্ঘন’ আখ্যা দিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, কোনও হামলা হলে ইরান তার ‘যথাযথ ও চূড়ান্ত’ জবাব দেবে। সেক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সব মার্কিন ঘাঁটি, স্থাপনা এবং সম্পদ ইরানের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানি নিরাপত্তা পরিষদে চিঠি লিখে ‘সামরিক আগ্রাসনের বাস্তব ঝুঁকি’ নিয়ে সতর্ক করেছেন। ট্রাম্পের বক্তব্যকে জাতিসংঘ সনদের ‘নগ্ন লঙ্ঘন’ আখ্যা দিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, কোনও হামলা হলে ইরান তার ‘যথাযথ ও চূড়ান্ত’ জবাব দেবে। সেক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সব মার্কিন ঘাঁটি, স্থাপনা এবং সম্পদ বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানি নিরাপত্তা পরিষদে চিঠি লিখে ‘সামরিক আগ্রাসনের বাস্তব ঝুঁকি’ নিয়ে সতর্ক করেছেন। ট্রাম্পের বক্তব্যকে জাতিসংঘ সনদের ‘নগ্ন লঙ্ঘন’ আখ্যা দিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, কোনও হামলা হলে ইরান তার ‘যথাযথ ও চূড়ান্ত’ জবাব দেবে। সেক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সব মার্কিন ঘাঁটি, স্থাপনা এবং সম্পদ ইরানের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানি নিরাপত্তা পরিষদে চিঠি লিখে ‘সামরিক আগ্রাসনের বাস্তব ঝুঁকি’ নিয়ে সতর্ক করেছেন। ট্রাম্পের বক্তব্যকে জাতিসংঘ সনদের ‘নগ্ন লঙ্ঘন’ আখ্যা দিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, কোনও হামলা হলে ইরান তার ‘যথাযথ ও চূড়ান্ত’ জবাব দেবে। সেক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সব মার্কিন ঘাঁটি, স্থাপনা এবং সম্পদ ইরানের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত