বুধবার, ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬

দূর্নীতি ও রাসেল ভাইপার কার বিষ বেশী

আপডেট:

ইদানিং ফেইজবুক ও বাংলাদেশের চ্যানেল গুলো রাসেল ভাইপার সাপ নিয়ে যে ভাবে উঠে পড়েছে তা দেখে আমি অভাক না হয়ে পারলাম না। বুজলাম অবুঝ ফেবু বন্ধুরা এই নিয়ে মাতা মাতি করছে কিন্তু সংবাদমাধ্যম কি আরো কোন খবর নাই। বাংলাদেশ যে কতো রাসেল ভাইপার প্রতিদিন সাধারণ জনগনকে ছোবল দিচ্ছে তা নিয়ে কোন অনুসন্ধানি প্রতিবেদন লক্ষ্য করা যায় না। এতো র্দূনীতি সমাজিক অনাচার তা নিয়ে লিখতে বা প্রচার করতে দেখা যায় না। আমাদের ফেনী থেকে প্রকাশিত দৈনিক গুলোতে কোন চোখে পড়ার মতো কোন অনুসন্ধানি প্রতিবেদন দেখা যায় না। সাংবাদিক দের গাড়ি অঢেল টাকা দেখলে বুজা যায় তাদের টাকার উৎস কি? ঈদ আসলে থানার সামনে, বিভিন্ন কিলিনিকে ও সরকারি অফিসে এদের ভিড় পরিলক্ষিত হয়। ঈদের আগে থানায় বা এই সব স্থানে এদের কি কাজ। এই প্রসঙ্গে আলাপ চারিতায় আমিরাবাদ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান দৈনিক সকালের কন্ঠের নিউইয়র্ক সংবাদ দাতা জহিরুল আলম জহির তার সময়কার কথা প্রসঙ্গে বলেছে, সাংবাদিকদের নাকি টাকা দিতে হয়। বেনজির, সহ অনেকে অকুণ্ঠ দূর্নীতিতে নিমজ্জিত। সাংবাদিকেরা কি সবাই ভালো, পুলিশের এসোসিয়েশন র বিবৃতি পড়ে মনে হলো তারাও আসলে এই সব সাংবাদিকদের উপর মনঃক্ষুণ্ন। তাহলে সাধারণত জনগন যাবে কোথায়। নীতি নৈতিকতা এতো অধোপতন কেন? রাসেল ভাইপার সাপ নিয়ে সবাই হাটছে সুযোগ বুজে ছোবল হানে। রাসেল ভাইপার সাব নিয়ে এতো মাতামতি না করে এই সব বিষয় নিয়ে মাতামাতি করুক।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত