ফরহাদ চৌধুরী।
সম্পাদক অনির্বাণ।
বিশেষ প্রতিনিধি “দৈনিক সকালের কন্ঠ”
সাবেক জেলা প্রতিনিধি
“দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ”।
আওয়ামী লীগ সরকার পতনে যুক্তরাষ্ট্রের এজেন্ডা বাস্তবায়নে পর্যায়ক্রমঃ
ডেড লাইন ৩০মে : ডোনাল্ড লু বাংলাদেশ সফর করে যান। শেখ হাসিনা কতৃক সেন্ট মার্টিনে মার্কিন নেভাল বেস গড়তে অস্বীকৃতি।
ডেড লাইনঃ২৩ জুন : যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের সাথে ডঃ আসিফ নজরুলের বৈঠকে সরকার পতনের রুপরেখা তৈরি।
ডেড লাইনঃ৩০শে জুন : বিএনপি, জামাত সহ ৩০ টি রাজনৈতিক দলের গোপন বৈঠকে সরকার পতনের রূপ রেখা বাস্তবায়নের চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। ডেড লাইনঃ১লা জুলাই :মার্কিনী লবিস্ট এর মাধ্যমে সরকার পতনে ৩৮ হাজার কোটি টাকা ইনভেস্ট করে যুক্তরাষ্ট্র। এই ৩৮ হাজার কোটি টাকার ৪০০০ কোটি টাকা দিয়ে সেনাবাহিনীকে ম্যানেজ করা হয়। ৫০০০ কোটি টাকা দেয়া হয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জন্য। সুশীল সমাজের জন্য ১০০০ কোটি টাকা। কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য ১০০ কোটি টাকা। অভিনয় জগতের সেলিব্রিটিরা পায় ৫০০ কোটি টাকা। গানের শিল্পীরা পায় ৫০০ কোটি টাকা।দৈনিক প্রথম আলো পায় ১০০ কোটি টাকা। বাকি মিডিয়া গুলো পায় ১০০ কোটি টাকা।
ডেড লাইনঃ২ জুলাই : সরকার পতনে বেছে নেয়া হয় সাধারন ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলনকে। যদিও ২০১৮ সালে ভি,পি নুর এর নেতৃত্বে শুরু হওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলন কে থামাতে এবং কোটা প্রথা বন্ধ করতে রীট পিটিশন দাখিল করা হয়েছিলো।যার রায় হওয়ার কথা ছিলো ১৮ই জুলাই ২০২৪শে।কিন্তু সরকার পতনের রূপ রেখা বাস্বায়ন করতে গিয়ে৭ জুলাই:পূণরায় কোটা সংস্কার আন্দোলন রাজপথে নামে সাধারন ছাত্র/ ছাত্রী রা।তাদের দাবী মেনে নিয়ে মেধাবীদের জন্য ৯৩% কোটা রাখা হয়। সেখান থেকে কোটা সংস্কার এর স্লোগান পরিবর্তন করে ০১ দফা দাবী নিয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাক দেয়া হয়।মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ও পাকিস্তানের আইএসআই কোটা সংস্কার আন্দোলননে ছাত্রদের লাশ ফেলতে ৭.৬২ স্নাইপার সরবারহ করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের ক্যাডার ও জঙ্গিদের কাছে। ১৫ জুলাই : ৫ টি পৃথক পৃথক জায়গায় জঙ্গি হামলা, এবং থানা সহ কারাগার লুট করা হয়।১৫-১৮ জুলাই : ৭.৬২ স্নাইপারের গুলিতে মীর মুগ্ধ সহ ১০০+ ছাত্রের লাশ ফেলে ছাত্র জনতা মিলে সরকার পতন এবং গণ-অভ্যুত্থানের যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশীয় এজেন্ট রা।ডেড লাইনঃ১৮ জুলাই : ১ম দফার কার্ফিউ দিয়ে সরকার পতন রোধ।১লা অগাস্ট : সেনাবাহিনীকে ১৪৪ ধারা জারি করে জরুরী অবস্থা ঘোষনার অনুরোধ,অতঃপর সেনাবাহিনীর প্রত্যাখ্যান।ডেড লাইন ৩রা অগাস্ট : সেনাবাহিনী কতৃক আন্দোলন দমাতে গুলি না ছোঁড়ার ঘোষণা।ডেড লাইনঃ৪ ঠা আগস্ট: সেনাবাহিনীর গ্রিন সিগনাল পেয়ে আন্দোলনকারীরা মার্চ টু ঢাকা ১ দিন এগিয়ে আনার ঘোষণা। ডেডলাইনঃ৫ ই আগস্ট : শেখ হাসিনার সরকার পতন।এবং সেনা বাহিনীর স্পেশাল হেলিকপ্টারে করে শেখ হাসিনা কে ভারতে পাঠান।তার পরই ছাত্র / জনতা গণ ভবনে ডুকে লুটতরাজে মত্তহয়।পাশাপাশি এস,এস,এফ এর প্রায় দশ কোটি টাকার অস্র লুট করা হয় যা এখনো উদ্বারে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।এসব অস্ত্র যদি সাধারন ছাত্র জনতার কাছে রয়ে যায় তাহলে সাধারন জনগনের জান মালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে এতে কোন সন্দেহ নেই।
ডেড লাইনঃ৬ ই আগস্ট সেনাবাহিনী এবং ডঃ ইউনুসের গোপন বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানএবং মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংস করে দেওয়া ও আওয়ামীলীগ নিধনের রূপরেখা তৈরী।সেই থেকে লুটপাট,চাঁদা বাজি টেন্ডার বাজি আর ধ্বংসযজ্ঞ চলছে। ছাত্ররা এইজন্য বিপ্লবে র বিজয় চিনিয়ে আনেনি।১৯৭১ এর পরাজিত শক্তি এখন দেশ চালাচ্ছে! নেতৃত্ব দিচ্ছে জামায়াত এবং জাতীয়তাবাদী দল।বীর বাঙ্গালি আবারও এক হওয়ার সম্ভাবনায় সমন্বয়ক এবং তাদের ছাত্র সংগঠনের বিলুপ্তি,পদত্যগ এবং উপদেষ্টার পদত্যগের ঘটনা চলমান।এরই মাঝে সাবেক প্রেসিডেন্ট এডঃ আব্দুল হামিদ কে আওয়ামীলীগ এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করে বিজয় মিছিল চলছে।তৃণমূল এর ত্যগী আওয়ামীলীগ কর্মী দের প্রত্যাশা একটাই বঙ্গবন্দ্বু শেখ মুজিবুর রহমান আর স্বাধীনতা কে যেন আওয়ামীলীগ তাদের নিজস্ব সম্পদ মনে না করেন।
কোন পথে যাচ্ছে বাংলা দেশ।টাকার কাছে সব বিক্রি হয়ে গেল?
আপডেট:

