আশরাফুল ইসলাম তুষার,কিশোরগঞ্জ:
একজন সফল মানুষের প্রতিচ্ছবি অসাধারণ ব্যক্তিত্ব ও মানবিক গুনাবলীর অধিকারী কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার সদ্য বিদায়ী মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ দাউদ।
তাঁর সততা,উদারতা,ন্যায়পরায়ণতা, কর্মনিষ্ঠতা, নিরহংকারী, নির্ভীক, যেকোন শ্রেণী মানুষের সাথে সৌহার্দপূর্ণ আচরণ অসহায় মানুষের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালবাসা কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে মুগ্ধ করেছে। তিনি সদর থানায় যোগদান করার পর থেকে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দিক নির্দেশনায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ,সাধারন মানুষ কে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করা,প্রতি সপ্তাহে বিট পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনা,চুরি ডাকাতি,নারী শিশু নির্যাতন, জুলুমবাজ,সন্ত্রাসী,দখলবাজ, মাদক নির্মূল, চাঁদাবাজি, ছিনতাইকারী, ইভটিজিং বাল্য বিবাহ, অপহরণকারী, জাল টাকা ব্যবসায়ী, অস্ত্রধারী ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন।
তিনি সদর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে যে কোনো অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেন।বিশেষ করে ইভটিজিং বন্ধে ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক ও শিক্ষকদের করণীয় সম্পর্কে দিক নির্দেশনা দেন।এছাড়াও বিভিন্ন মসজিদে গিয়ে জুম্মার নামাজ আদায় শেষে মুসল্লীদেরকে জঙ্গিবাদ,বাল্যবিবাহ,মাদক জুয়ার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।বিভিন্ন অপরাধ মুলক কর্মকান্ড বন্ধ,আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে বিভিন্ন জন কল্যাণমুখী কাজের মাধ্যমে একের পর এক পারদর্শী দেখিয়ে প্রশংসিত হয়ে উঠেছেন সর্বোস্তরের মানুষের কাছে।
ওসি মোহাম্মদ দাউদ বলেন, আইনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা বোধ রেখে, দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবেসে কিশোরগঞ্জ জেলার মাননীয় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ (পিপিএম)বার স্যার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মনতোষ বিশ্বাস স্যার এর নির্দেশনায় নিজের দ্বায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করেছি।পুলিশের পোশাক যেদিন থেকে পড়েছি, সেদিন থেকেই মানুষের সেবা করার শপথ নিয়েছি। আমার পেশাগত দ্বায়িত্ব পালন করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন তাতে যেন অবদান রাখতে পারি সে জন্য সবার দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করি।
জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম তুষার বলেন,পুলিশ জনগণের বন্ধু, এই ধারণা জনসাধারণের আগে ছিল না।কিন্তু সেই ধারণাকে পাল্টে দিয়েছিলেন কিশোরগঞ্জ মডেল থানার সদ্য বিদায়ী ওসি মোহাম্মদ দাউদ।কিশোরগঞ্জ সদর থানায় সেবা নিতে আসা লোকজন কোন রকম টাকা ছাড়াই সাধারণ ডায়েরি (জিডি), অভিযোগ ও মামলা অন্তর্ভুক্ত করতে পারছেন।এলাকার দুই পক্ষের দ্বন্দ মিটাতে বিভিন্ন ভাবে আপনি সাধারণ মানুষকে সচেতন করেন।অনেকের পারিবারিক ঝামেলা নিজে দায়িত্ব নিয়ে মিটিয়ে দিয়েছেন।আপনি হাস্যোজ্জ্বল, সুদর্শন, স্মার্ট, ভলো মনের মানুষ আপনার সততা দায়িত্বশীলতার ফলে পুলিশের আচরণ যেমন পাল্টেছে, তেমন থানার চিত্রও বদলেছে অনেকটাই। এতে আগের তুলনায় থানায় সেবার মানও বেড়েছে।পাশাপাশি সহজেই মানুষকে সেবা দিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন আপনি।
ওসি মোহাম্মদ দাউদ এর সৃজনশীলতায় বদলে গেছে থানার চিত্র।
তিনি সদর থানায় যোগদানের পর
থেকেই সদর উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অনেক উন্নত করেছেন। বিশেষ করে মাদক, সন্ত্রাস, চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মারামারিসহ সকল অপরাধ দমন করতে সফল হয়েছেন।
আপনার সৃজনশীল ও যুগোপযোগী পরিকল্পনার ফলে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা ও পুলিশ হয়ে উঠেছে এ উপজেলার মানুষের আস্থা ও ভরসার ঠিকানা।মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে এ থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্যরা।আপনার সাথে সময় দিয়ে যতটুকু আপনাকে চিনতে ও জানতে বুঝতে পেরেছি সেই জায়গা থেকে বলছি কোনো ধরনের চাওয়া-পাওয়ার জন্য নয়, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভালো লাগার জায়গা থেকে সবাইকে সেবা দিয়েছেন।মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ হিসেবে জনগণের পাশে দাঁড়াতে সর্বদা কাজ করেছেন। মানবিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি যে কোনো অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সর্বদা আপনি সজাগ ছিলেন।সরকারি চাকুরিতে বদলি হওয়াটাই স্বাভাবিক।
আপনার জন্য দোয়া ভালোবাসা ও শুভ কামনা রইলো প্রিয় দাউদ ভাই।



