সুমন মাহামুদ
নাট্যকর্মী
ফেনী থিয়েটার
ষড়যন্ত্রের বেড়াজালে জাতীয়তাবাদী রাজনীতি। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এই একটি বিশেষ ঐক্যমত্ত আছে যে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ নিতে হলে জাতীয়তাবাদী জনগনের প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক প্লেটফরমের বিরুদ্ধে কোন না কোন ভাবে ষড়যন্ত্রের বীজ বপন করতে হবে। যার প্রথম শিকার শহীদ প্রসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দ্বিতীয় শিকার বেগম খালেদা জিয়া তৃতীয় শিকার তাদের দুই সন্তান তারেক জিয়া ও আরাফাত রহমান বিশেষভাবে তারেক জিয়া।মজার ও আশ্চর্য হতে হয় আওয়ামী লীগের পাশাপাশি জামাত জ্বি ক্ষেত্র বিশেষে জামাত শিবির আওয়ামী লীগের চেয়েও বেশী জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে প্রগাগান্ডা তৈরী করছে। সাম্প্রতিক কালে জামাতের কথাবার্তার মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে যে জামাত যে কোন কিছুর বিনিময়ে হলেও তারেক জিয়া তথা বিএনপির ক্ষমতা গ্রহণ ঠেকাতে চাইছে।
সাংবাদিক নবনীতা প্রমাণ করতে চাইছেন যে- তারেক জিয়া দেশে ফিরে আসা নিয়ে সময়ক্ষেপন করছেন কারণ তার সাথে সেনাবাহিনীর সম্পর্ক ভালো নয় এবং তাই তারেক জিয়া নিরাপদ দূরত্বে থাকছেন।
এর আগে সাংবাদিক ইলিয়াসের বয়ানে ঠিক একই রকম কথা প্রকাশ হয়েছিল।অন্তমিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে! !! নবনীতা আওয়ামী ঘরানার আর ইলিয়াসকে অনেকেই জামাত ঘরানার বলে মনে করেন। ভারতীয় রাজনৈতিক ও গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ এর পরিকল্পনা অনুযায়ী সব হচ্ছে বলে প্রতীয়মান। যার শুরু জিয়াউর রহমানকে হত্যা আর চলমান প্রক্রিয়া।চিন্তার খোরাক – জিয়াউর রহমান জামাত ও আওয়ামী লীগকে প্রকাশ্য রাজনীতির সুযোগ করে দেওয়ার পর হত্যাকাণ্ডের শিকার হন!!! খালেদা জিয়া গোলাম আযমের নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেয়ার পর ক্ষমতাচুত্য হন!!! ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকারের হাত থেকে জামাতকে রক্ষা করতে জোটসঙ্গী কখনো যুগপথ সঙ্গী করে রাখার পর এখন বিএনপির পথকে পিচ্ছিল করতে দেশে জামাত আর পলাতক আওয়ামী লীগ যুগপৎ উঠেপড়ে লেগেছে! !!
শুনে ও বুঝে নিন- “তারেক জিয়া ফিরবেন ও জনগণকে নিয়ে আকাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র মেরামত সাফল্যের সাথে করবেন”।
আর আওয়ামী লীগ ও জামাত শিবিরের ষড়যন্ত্র সফল হলে স্বার্বভৌমত্ব জবরদখল হতে বাকি নাই।

