ত্রান সামগ্রীর সুষম বণ্টন এর পাশাপাশি কৃষি জাত পণ্য ও প্রয়োজন।
-ফরহাদ চৌধুরী -***—————————–বিশেষ প্রতিনিধি দৈনিক সকালের কন্ঠ ————
গত জুন মাসের বৃষ্টি বলয় রিমঝিম এর প্রভাবে টানা বর্ষনে প্রথম বার মুহুরী নদীর বাঁধ ভেঙে মালীপাথর,নিলক্ষী দেড়পাড়া ডুবে যায়। মুহরী নদীতে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি সিলোনীয়া নদীর পানির সাথে মিশে সীমান্ত এলাকা পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে যায়।
যার ফলে আমন চাষের ধানের বীজতলার চারা গুলো কিছু অংশ নষ্ট হয়ে যায়।দ্রুত পানি নেমে গেলে প্রান্তিক চাষীরা সেই চারা জমিতে রোপন করেন। তার পরে ০৩ তারিখ পূনরায় ভাঙা বাঁধ দিয়ে একই ভাবে প্লাবিত হয়।সেবার পানি চারদিন থাকাতে জমিতে লাগানো চারা গুলো অর্ধেক পঁচে যায়।তার পরও কৃষকরা আশায় বুক বেঁধে ছিলেন।কিন্তু গত বিশ তারিখে বৃষ্টি বলয় শ্রাবনীর টানা বর্ষনে স্মরন কালের ঐতিহাসিক মহা প্লাবনে গোটা ফেনী জেলা সহ পাশের জেলা গুলোতেও এর প্রভাব পড়ে।তন্মধ্যে ফুলগাজী,পরশুরাম, ছাগলনাইয়াতে এত বেশী পরিমানের ক্ষতি হয়েছে যা বলাবাহুল্য।
প্রতিদিন সারা দেশ থেকে শত শত ট্রাক ত্রান সামগ্রী তিন উপজেলায় স্থাপিত সেনা বাহিনীর ক্যম্প,নৌ বাহিনীর ক্যম্প, কমান্ডার দের তত্বাবধানে এলাকার গণ্যমান্য প্রতিনিধি দের কাছ থেকে ত্রাণ সামগ্রী প্রপ্তদের তালিকা নিয়ে বিতরণ করে দিচ্ছেন।
আর এই তালিকার মধ্যে সকল শ্রেণীর লোকই এর ভাগীদার।জনপ্রতিনিধি দের ভুলে হোক আর অজান্তে হোক কিছু কিছু পরিবার ৪/৫ বার করেও ত্রান পাচ্ছন।
আর কিছু পরিবার এর লোক ত্রাণ সামগ্রী চোখেও দেখেন নাই। এটাও এক প্রকার বৈষম্য মূলক আচরণ এর মধ্যে পড়ে।এতো গেলো ত্রাণ সামগ্রী সুসম বন্টনের কথা,এবার প্রান্তিক কৃষকের কথা বলি তাঁদের হাহাকারে আকাশ বাতাস আরো ভারী হয়ে মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে।কারণ এই মহাপ্লাবনের ফলে আমন চাষের লাগানো চারাগুলো পঁচে মাটির সাথে মিশে গেছে। যার ফলে ত্রাণ সামগ্রীর পাশাপাশি কৃষকদের কে ধানের বীজ সরবরাহ করার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ডঃ ইউনুস সাহেব এর ত্রাণ ও পূনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা,কৃষি মন্ত্রণালয়,সহ সকল মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা গণের আশু দৃষ্টির প্রত্যশা বানভাসি ফেনী ০১ আসনের জনগণের।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ সার,বীজ, কৃষি উপকরণ নগদ সহায়তা প্রধান জরুরি
আপডেট:

