বৃহস্পতিবার, মার্চ ৫, ২০২৬

নারীদের ঝুলিয়ে ঘূর্ণায়মান চেয়ার বসিয়ে উল্লাস করত বাহিনীর সদস্যরা

আপডেট:

কখনো ঝুলিয়ে পেটানো হতো, কখনো আঙুলের নখ উপড়ে ফেলা হতো, আবার কখনো বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হতো। এতে অনেকে অজ্ঞান হয়ে যেতেন, বমি করে দিতেন, আবার কেউ কেউ চোখ বাঁধা অবস্থায় নিজের শরীরের মাংস পোড়া গন্ধ পেতেন। নির্যাতনের এই ভয়াবহতা থেকে রেহাই পেত না নারীরাও। তাদের ঝুলিয়ে বিকৃত উল্লাস করে অট্টহাসিতে ফেটে পড়তেন বাহিনীর সদস্যরা।‘কখনো ঝুলিয়ে পেটানো হতো, কখনো আঙুলের নখ উপড়ে ফেলা হতো, আবার কখনো বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হতো। এতে অনেকে অজ্ঞান হয়ে যেতেন, বমি করে দিতেন, আবার কেউ কেউ চোখ বাঁধা অবস্থায় নিজের শরীরের মাংস পোড়া গন্ধ পেতেন। নির্যাতনের এই ভয়াবহতা থেকে রেহাই পেত না নারীরাও। তাদের ঝুলিয়ে বিকৃত উল্লাস করে অট্টহাসিতে ফেটে পড়তেন বাহিনীর সদস্যরা।শিফটিং সিস্টেমে কয়েক ঘণ্টা পরপর বিভিন্ন পদ্ধতিতে নির্যাতন চালানো হতো তাদের ওপর। নির্যাতনের এসব ভয়াবহ পদ্ধতিগুলো ভুক্তভোগীদের কাছে নরক যন্ত্রণার মতোই। যার মধ্যে ঘূর্ণায়মান চেয়ার, বৈদ্যুতিক শট দেওয়ার যন্ত্র, র‌্যাবের টিএফআই সেলে মানুষ ঝুলিয়ে নির্যাতনের পুলি-সিস্টেম অন্যতম। প্রাকৃতিক প্রয়োজন মেটানোর সময়ও সিসিটিভির নজরদারির মধ্যে থাকতে হতো তাদের।’ আওয়ামী লীগ শাসনামলে ‘সরকারবিরোধী যড়যন্ত্র’ সম্পর্কে জানতে টার্গেট করা ব্যক্তিদের বিশেষ সেলে গুম করার পর এমন ভয়াবহ নির্যাতন করা হতো।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত